প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]‘ফেক ফিল্ডিংয়ে ডি’ ককের আউট করা নিয়ে মুখ খুললেন ফখর জামান

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] ফখরের দুর্ভাগ্য, নাকি ফখর প্রতারণার শিকার? ডাবল সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ফখর জামানের রান আউট নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। অনেকেই ‘ফেক ফিল্ডিং’-এর দায়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কুইন্টন ডি কককে, আইসিসিও শাস্তি দিয়েছে ডি কককে। কিন্তু এমন ঘটনার শিকার হওয়া ফখর নিজেই বলছেন এর জন্য দায়ী ডিকক নয় বরং নিজেই।

[৩] জোহানেসবার্গে রোববার ৪ এপ্রিল দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দারুন মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ ছিল ফখরের সামনে। ১৯৩ রানের ইনিংসেও গড়েছেন রেকর্ড। কিন্তু ডাবল সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও অবিস্মরণীয় ইনিংস শেষ হয় বিতর্কিতভাবে।

[৪] ইনিংসে শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩১ রান, ফখর তখন অপরাজিত ১৯২ রানে। স্ট্রাইকে ছিলেন ফখরই। প্রথম বলেই দ্বিতীয় রান নেওয়ার চেষ্টায় রান আউট হন তিনি।

[৫] বিতর্ক জাগায় তার রান আউট হওয়ার ধরন। বল লং অফে পাঠিয়ে দ্বিতীয় রান নিচ্ছিলেন ফখর। দক্ষিণ আফ্রিকার কিপার ডি কক ফিল্ডারের দিকে আঙুল উঁচিয়ে দেখান নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থ্রো করতে। সেটা দেখেই হোক বা অন্য কারণে, ফখর দৌড়ের গতি একটু কমিয়ে দেন। পেছন ফিরে সঙ্গী ব্যাটসম্যানের দিকেও তাকান। কিন্তু ফিল্ডারের থ্রো ছুটে আসে স্ট্রাইক প্রান্তে, ফখরের দিকেই। শেষ মুহূর্তে খেয়াল করে ফখর দ্রুত ক্রিজে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন বটে। তবে থ্রো সরাসরি স্টাম্পে লাগে আগেই।

[৬] ১৮ চার ও ১০ ছক্কায় ১৫৫ বলে ১৯৩ রানে রান আউট ফখর। রান তাড়ায় প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ইতিহাস গড়তে পারেননি অল্পের জন্য। যেটি হতো তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি।

[৭] ক্রিকেটে ফেক ফিল্ডিংয়ের আইন থাকলেও মাঠে ডি কককে কোন শাস্তি দেননি আম্পায়াররা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে ডি ককে দুষছেন সবাই। পরবর্তীতে আইসিসিও শাস্তি দিয়েছে।

[৮] কিন্তু ফখর নিজে ডি কককে কাঠগড়ায় তোলেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, দোষ আমারই ছিল, আরেকপ্রান্তে হারিস রউফকে দেখতেই ব্যস্ত ছিলাম আমি। আমার মনে হয়েছিল, সে ক্রিজ থেকে একটু দেরিতে বেরিয়েছে, কাজেই বিপদে পড়বে সে। বাকিটা ম্যাচ রেফারির দেখার দায়িত্ব। তবে আমি মনে করি না কুইন্টনের দোষ আছে।

[৯] উল্লেখ্য, একসময় ব্যাটসম্যানকে বিভ্রান্ত করতে মাঠে ফিল্ডাররা ইচ্ছা করে ডাইভ দেওয়া বা থ্রো করার ভঙ্গি করতেন। এটা থামাতেই ২০১৭ সালে ‘ফেক ফিল্ডিং’ আইন করা হয়। যে আইনে বলা আছে, কথা বা কাজ দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাটসম্যানকে ভিন্নমুখী বা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা কিংবা বাধার সৃষ্টি করলে তা অন্যায্য হবে। সেক্ষেত্রে শাস্তি হিসেবে ব্যাটিং দলের সঙ্গে ৫ রান যোগ হয় এবং বলটি হয় ডেড। – ক্রিকবাজ

সর্বাধিক পঠিত