প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জীবনের জন্য বাঁচতে হবে, তাই বাধ্য হয়ে দোকানপাট খুলেছি, বলছেন ব্যবসায়ীরা

মিনহাজুল আবেদীন: [২] সোমবার ভোর সাড়ে ৬টায় গেন্ডারিয়া ও মতিঝিল এলাকায় দেখা গেল, লকডাউনের আগের তুলনায় মানুষের চলাফেরা স্বাভাবিক। অনেকে আবার ব্যায়াম করছেন। কেউ দৌঁড়াচ্ছেন, অনেকে চায়ের দোকান থেকে চা, পাউরুটি ও দুধ খাচ্ছেন।

[৩] কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে, রাস্তায় শুয়ে থাকা কতিপয় মানুষ ছাড়া তেমন কেউ নেই। লকডাউনে রেল বন্ধ থাকায় চিরচেনা ভীড়বাট্টা নেই সেখানে।

[৪] গেণ্ডারিয়া এলাকার ব্যবসায়ী রতন মিয়া বলেন, জীবন যেখানে বিপন্ন। সেখানে লকডাউন দেয়ার কোনও মানে নেই।

[৫] সিএনজি চালক করিম হোসেন বলেন, আগের মতো ইনকাম নেই, মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। কাছে টাকা নেই। এভাবে চলতে থাকলে এবারের ঈদ কেমনে কাটবে আল্লাহ জানে।

[৬] স্থানীয় এলাকাবাসী কাজী ফারুকুর রহমান বলেন, এখন সবাই কোভিড থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্য সচেতনতার ওপর জোর দিয়েছে। আমি আগের থেকে স্বাস্থ্য সচেতনতার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আমার পরিবারের লোকজনও সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসায় যোগ ব্যায়াম করে।

[৭] কানিজ ফাতেমা বলেন, গত বছর আমরা করোনার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু এবার মনে হচ্ছে কোভিড মহামারিতে রূপ নিবে। সেইজন্য সকালে উঠে হাঁটাহাটি করছি। এতে নিজের শরীরও সুস্থ রয়েছে। সম্পাদনা: রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত