শিরোনাম
◈ রাজশাহীর সমাবেশের উত্তাল ঢেউ ঢাকায় পৌঁছাতে হবে: মিনু ◈ তিন দিনে বিএনপির ৭৭৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার করা হয়েছে : রিজভী  ◈ ‘খেলা হবে’ কোন রাজনৈতিক দলের স্লোগান হতে পারে না: তোফায়েল আহমেদ ◈ ২২ কোটি টাকার ইনজেকশন পাওয়া রাইয়ান এখন অনেকটা সুস্থ  ◈ হুমকি, ধামকি দিয়ে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না: কাদের ◈ জুনের মধ্যে ডিজেলচালিত বিদুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ◈ গণ্ডগোল করার জন্য নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী ◈ রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শুরু, বক্তব্য দিচ্ছেন নেতারা ◈ ঢাবিতে গাড়িচাপায় নারীর মৃত্যু, পরিবারের মামলা ◈ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে উৎসবমুখর চট্টগ্রাম

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০২ দুপুর
আপডেট : ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনায় আক্রান্ত হলে যেসব খাবার খাওয়া উচিত

ডেস্ক নিউজ: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে বহু মানুষ। করোনার সংক্রমণ হলে দরকার বিশেষ যত্ন। এ সময় খাওয়ার ব্যাপারে খুবই সচেতন হতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমিতদের খাবারে পর্যাপ্ত ফল থাকা দরকার।

বিভিন্ন ফলে থাকা ভিটামিন সি ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শুধু মোসাম্বি বা কমলালেবু নয়, প্রায় সব রকম ফলে ভিটামিন সি আছে। এছাড়াও করোনা আক্রান্ত হলে আরও যেসব ফল খাওয়া দরকার-

লেবু ও আমলকী: লেবু ও আমলকীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে অসুখের কষ্ট কমবে।

অন্য ফল: গরমের এই সময় আঙুর, পেয়ারা, আপেল, পেঁপে, শসা, কলা, তরমুজসহ নানা ধরনের ফল পাওয়া যায়। রোজ নিয়ম করে অন্তত তিন থেকে চার রকমের ফল খেতে হবে। সকালের নাস্তায় কলা, আপেল বা পেয়ারা খেতে পারেন। বেলা একটু বাড়লে পেঁপে বা তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া আঙুর, পেঁপে, তরমুজ, কলা টুকরো করে সামান্য মধু মিশিয়ে ফ্রুট সালাদ করেও খাওয়া যেতে পারে সকাল বা বিকেলের নাস্তায়। রোজ ফল খেতে ভালো না লাগলে, দই মিশিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেলে ভালো লাগবে। সব রকমের ফলেই যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি, ফোলেট, ডায়েটারি ফাইবার, বিভিন্ন দরকারি খনিজ ও পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এগুলি সবই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

টক দই: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টক দই রাখা জরুরি। দইয়ের ল্যাকটোব্যাসিলাস গোত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্য জীবাণুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

করোনা আক্রান্তদের মধ্যে যারা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করাচ্ছেন, তারা অবশ্যই যে কোনও শারীরিক সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। পালস অক্সিমিটারে অক্সিজেনের পরিমাণ ৯৫-এর কম হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাতে হবে। নিউজ ২৪.কম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়