প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ২০২৪ অলিম্পিকে চোখ জিমন্যাস্টিকসের: শেখ বশির আহমেদ মামুন

রাহুল রাজ: [২] ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে খেলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বংশদ্ভুত জিমন্যাস্টস সাইজ সিজার। এরপর ২০১৬ সালে জিম্যানিস্টকস থেকে কেউ অলিম্পিকে খেলতে পারেনি। টোকিও অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিসে কেউ থাকছে না। আপাতত ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকে চোখ রেখে নানান পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশন।

[৩] রোববার, ৪ এপিল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জিমন্যাশিয়ামে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমসে জিমন্যাস্টিকস ডিসিপ্লিনে পুরস্কার বিতরণী শেষে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন তার লক্ষ্যের কথা জানান, ‘২০২৪ সালের অলিম্পিকে খেলার জন্য আলি কাদের, রাফি এদের সবাইকে নিয়ে চেষ্টা করছি একটা লেভেলে নিতে।

[৪] ওদের পারফরম্যান্সের ওপর জাজমেন্ট এনে আমরা একটা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট করতে যাচ্ছি অক্টোবরের শেষে। ইনশাআল্লাহ সেটা পারফরম্যান্স বেস করে কয়েকজনকে সিলেক্ট করব। তাদেরকে বাইরে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করব। যাতে করে ২০২৪ সালে অলিম্পিকে খেলতে পারে। এটাই আমাদের টার্গেট। এই অলিম্পিককে টার্গেট করেই কিন্তু অক্টোবরে টুর্নামেন্ট করছি।

[৫] বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অক্টোবর মোট নয়টি দলকে নিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জিমন্যাস্পিকস ফেডারেশন। দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের সঙ্গে এই প্রতিযোগিতায় খেলবে আফগানিস্তান এবং ইরান।

[৬] এবারের বাংলাদেশ গেমসে নতুন খেলোয়াড় উঠে আসাটা বড় প্রাপ্তি বলে জানিয়েছেন শেখ বশির আহমেদ মামুন,‘আমি এবার দেখেছি যে, যাকে চ্যাম্পিয়ন হবে মনে করতাম, তাকেও কিন্তু অন্য কেউ হারিয়েছে। বেশ কিছু তরুণ জিমন্যাস্টস উঠে আসছে এটাই হলো আমাদেও প্রাপ্তি।

[৭] এবং আমরা সামনের কয়েকটি গেমসকে সামনে রেখে কোচিং চালিয়ে যাচ্ছি । শুধুমাত্র একজায়গার ছাত্ররা না, অন্যান্য সব জায়গা থেকেই চলে আসছে এটাই আমার বেশি প্রাপ্তি। এবং আমার ধারণা তারা যদি নিরলসভাবে ট্রেনিংটা চালিয়ে যায়,তাহলে বিদেশি গিয়ে সম্মান বয়ে আনবে।’জিমন্যাস্টিকসে এখন নতুন নতুন দলে উঠে আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তিনি, ‘আজকের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অসুস্থতার কারণে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আসতে পারেননি।

[৮] তিনি আমাদের প্রতি যে সহানুভূতি এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলেই অনেকদিন পর একটা সুন্দর অনুষ্ঠান আমরা করতে পেরেছি। আমি যতদিন এখানে দ্বায়িত্বে আছি এবং মন্ত্রী মহোদয় আমাকে কথা দিয়েছেন অলিম্পিক থেকে আমি সহযোগিতা করে আপনাদেরকে একটা ভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাবো।

[৯] এটাতে কারা লাভবান হবেন যারা আমাদের জিমনেস্টসরা। আজকে দেখেছেন পুলিশ চলে আসছে। তাতে কী হচ্ছে জিমন্যাস্টিকসের ভবিষ্য তৈরি হয়ে যাচ্ছে। আগে কী হয়েছিল বিকেএসপি ছাড়া কোনো সংস্থা ছিল না তাদেরকে নেওয়ার জন্য। তারপরে চলে আসছে আনসার, এখন চলে আসছে বাংলাদেশ পুলিশ।

[১০] আমার বিশ্বাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌ বাহিনীও একসময় চলে আসবে। আমি চাই আমাদের চ্যাম্পিয়ন জিমন্যাস্টসিরা যাতে কওে সত্যিকার অর্থে জীবন চালিয়ে যেতে পারে। খেলাটাকে তারা যেন এক যুগ নেশা এবং পেশা হিসেবে নেয়, এবং তাদেও পরিবারও উপকৃত হয় সেদিকে আমি নজর দিয়েছি। সামনে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন। অতীতের মতো কোনো জিমন্যাস্টস যেন হারিয়ে না যায় সে দিকে আমি খেলায় রাখব।’

 

সর্বাধিক পঠিত