প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার প্রথম ওয়েভ ও দ্বিতীয় ওয়েভের তুলনা

শিমুল মাহমুদ: [২] বিশেষজ্ঞ মতে বর্তমানে দেশে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ চলছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬৮৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট ৯ হাজার ২১৩ জনের মৃত্যু হলো। আর আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জন হয়েছে।

[৩] শুক্রবার শনাক্ত ছিলো ৬হাজার ৮৩০ জন, যা কিনা দেশের ইতিহাসে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। শনাক্তের হার ২৩.২৮%, মোট শনাক্তের হার ১৩.২১%। সুস্থতার হার ৮৭.৬৪% এবং মৃত্যুহার ১.৪৭%। এর আগের সাত দিনে দেশে শনাক্ত ছিলো যথাক্রমে ৬৪৬৯, ৫৩৮৫, ৫০৪২, ৫১৮১, ৩৯০৮, ৩৬৭৪, ৩৭৩৭ ও ৩৫৮৭।

[৪] গত বছরের ২ জুলাই সর্বোচ্চ শনাক্ত হয় ৪০১৯ জন। শনাক্তের হার ছিলো ২১.৮৯%, মোট শনাক্তের হার ছিলো ১৯.০২%, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ছিলো ৪৩.৩৫%। মৃত্যু হার ১.২৬%। এর আগের সাত দিন শনাক্ত যথাক্রমে ৩৭৭৫, ৩৬৮২, ৪০১৪, ৩৮০৯, ৩৫০৪, ৩৮৬৮ ও ৩৯৪৬ জন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ছিলো ১৭ জুন ৪০০৮ জন।

[৫] প্রথম ওয়েবের তুলনায় দৈনিক শনাক্ত বেড়েছে ১.৩৯ শতাংশ, মোট শনাক্তে কমছে ৫.৮১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার বেড়েছে ৪৪.২৯ শতাংশ। মৃত্যু হার বেড়েছে ০.২১ শতাংশ।

[৬] গত বছরের সর্বোচ্চ সংকমণের দিন সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগী ছিলো ৪,৬২৮জন। আইসিইউতে ২১০ জন। শনিবার পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগী ৪,২৯৯ জন। আইসিইউতে ৩৮৩ জন। অর্থাৎ ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমেছে ৩২৩ জন । আইসিইউতে০ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১৭৩ জন।
দেশে প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে সরকার। একই বছরের ৩০ জুন সর্বোচ্চ মৃত্যু ৬৪ জনের। এ বছর ২ এপ্রিল শুক্রবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয় ৫৯ জনের। এরপর শনিবার ছিলো সর্বোচ্চ ৫৮ জন। গত সাত দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন যথাক্রমে ৫৯, ৫২, ৪৫, ৪৫, ৩৫, ৩৯ ও ৩৩ জন।

[৭] গত বছরের ৩০ মার্চ পর্যন্ত ঢাকার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সাধারণ বেড ছিলো ৬৫০, আইসিইউ ৪৫ টি। সারাদেশে সাধারণ বেড ছিলো ৫২৯৩ টি। আইসিইউ ১১২ টি। নমুনা পরীক্ষা করা হতো ঢাকার ৫ টি কেন্দ্র ও ও চট্টগ্রামের একটিতে।

[৮] ৩ মাসের ব্যবধানে জুলাই মাসে ঢাকা মহানগরীতে সাধারণ শয্যা দাড়ায় ৬০৭৫ টি, আইসিইউ ১৪৫ টি। সারাদেশে শয্যার সংখ্যা ১৪,৭৭৫ টি, আইসিআই ৩৯২টি। অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিলো ১১,১৪১ টি, হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা ২০৭ এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ছিলো ৯৮ টি।

[৯] ঢাকা মহানগরীতে বর্তমানে করোনা চিকিৎসায় যুক্ত হয়েছে সরকারি-বেসরকারি ১৯ টি হাসপাতাল। তবে সাধারণ শয্যা এবার দাড়িছে ৩৪৫৭, আইসিইউ বেড ২৫৬ টি। সারাদেশে শয্যার সংখ্যা ৯৭১১ টি, আইসিআই ৫৯৬ টি। অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিলো ১৪,৫৩৩ টি, হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা ৯৯৮ এবং অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ছিলো ৮৭৭টি। চলমান নমুনা পরিক্ষাগার ২২৬ টি।

[১০] ঢাকাসহ সারা দেশে সাধারণ বেড কমে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও এনসিডিসির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন বলেন, বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে অন্তত দুই হাজার আইসোলেশন বেড কমেছে, এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপতাল ননকোভিড করার এ বেডের সংখ্যা কমে যায়। এগুলো আবারো বাড়ানোর তাগিত দেওয়া হয়েছে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত