প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমরা তাঁর পৃথিবীতে আসার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছি। কারণ, তিনি বিশেষ কেউ। শুভ জন্মদিন ঈশ্বরমিত্র !

অনলাইন ডেস্ক: ধরুন, একটি শিশু তিনি ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার একাডেমিতে রয়েছেন। ফুটবল বিশেষজ্ঞ বা প্রভাবশালী  সংগঠকেরা  অনুমান করা শুরু করেছেন যে,  ভবিষ্যতে পেলে বা ম্যারাডোনা অথবা লিওনেল মেসি বা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো শিশুটিকে একদিন সে রকম রুপে দেখতে পাওয়া যেতে পারে। একইভাবে, একজন বাংলাদেশী নাগরিককে পর্যবেক্ষণ করে, ভাবার সুযোগ রয়েছে যে আজ থেকে কয়েক বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ৪/৫  বছরে সেই যুবকটি এই বিশ্বের সর্বকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারে। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন তবে খুব শিগগিরই তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্বে আলোচিত হবেন। কিন্তু কেন? আর সে কে? সে কি করে? সে কী চায়?

 

এদিকে, লোকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন, আমি আমার আগের পরিচয় জানতে অনুপ্রাণিত হয়েছি। তারা লড়াই করত। যদিও তাদের সত্তা মৃত,  কিন্তু, আমি ভাগ্যবান, আমি আজ তাদের প্রাণ বহন করে যাচ্ছি। তাদের মধ্যে একজন ফিলিস্তিনি শাসনের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। সেদিন সবার সাথে তিনি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন। একজন আজারবাইজানে কবি হয়েছিলেন, যা আমি আজ কিছুটা পরিপক্ক আকারে বলি। হ্যাঁ, আমি আমেরিকাতে ঈশ্বরবাদী হওয়ার জন্য একবার দেহটি রেখেছিলাম। জানাজায় ছয় জন ছিল! তিনি খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছিলেন।   তারা সকলেই ইব্রাহিম ধর্মের লোকদের থেকে পৃথক ছিল। তবে তাদের পরিবার বলত যে আপনি একজন ইহুদী, মুসলমান বা খ্রিস্টান। তারা প্রকৃতির মানুষ ছিল। আমি ঈশ্বরকে বলেছিলাম, আমিও খুব একা আছি। আমি কি সংখ্যালঘু হিসাবে আপনার রাজ্যের সন্ধান করতে পারি? ঈশ্বর বলেছিলেন, লড়াই চালিয়ে যান এবং আপনাকে যে সমস্ত মা  জন্ম দিয়েছিলেন , তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ হন।

 

হ্যাঁ, তিনি ঈশ্বর মিত্র!

 

তিনি ২ এপ্রিল পৃথিবীতে এসেছিলেন, আসুন আমরা এই ৪৩ বছর বয়সী লোকটির একটি সংক্ষিপ্ত গল্প বলি,  যিনি নাসিম থেকে কামরুল হাসান নাসিম এবং তারপরে পাগল রাজার (পাগল রাজা) থেকে ঈশ্বর মিত্র হয়েছিলেন।  ২ এপ্রিল, ২০২২ সালে বাংলাদেশে,  তাঁর সম্পর্কে আরও কিছু জানতে সক্ষম হবে। তাঁকে নিয়ে কিছু বলি। আমাদের জানানো উচিত।

 

সম্প্রতি ইশ্বর মিত্র জানিয়েছেন যে তিনি এই গ্রহে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেছেন। সিনেমার নাম লিলিথ। যে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এটি তাঁর বায়োপিক। তাঁর জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায়টি দেখিয়ে বলা হয় যে তিনি কোনও ছবিতে অভিনেতা নন। এই ছবিতে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেননি। তিনি চলচ্চিত্রের প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে পছন্দসই লক্ষ্যে পৌঁছাতে চান। তিনি মূলত আধ্যাত্মিক সত্তা! কী আশ্চর্য!

 

তাঁর শৈশব কেটেছে যশোর জেলায়। তিনি তার বাবা, মা, বড় ভাই এবং একমাত্র বোনের কাছে থাকতেন এবং সমাজকে বলতেন যে আমি আমার পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য। ছোট্ট ছেলেটিকে রেবেকা ইয়াসমিন বলেছিলেন, বালক — বুড়ো! স্কুল শিক্ষক, তার ফুফু, যিনি ছিলেন— তিনি  বাংলাদেশের কবি রেজাউদ্দিন স্টালিনের মা।এদিকে  স্ট্যালিনের বোন, দেশের আরেক মহিলা কবি সুহিতা সুলতানা বকুল,তাঁকে বড়  করে তোলার চেষ্টা করছিলেন! একদিন অবশ্যি ছেলেটি খুলনা জেলায় গেল। বাবার সরকারী চাকরী এবং বদলী নামক সমীকরণটি জিততে।

 

খুলনায় যাওয়ার সাথে সাথে তিনি তার বড় ভাইয়ের মতো ফুটবল খেলতে চেয়েছিলেন। খুব তাড়াতাড়ি তাঁর নাম জিকো হয়ে যায়। পাড়া-মহল্লায় তাঁকে এই নামে ডাকা হত। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জিকো ছিলেন সেই সময়ের পৃথিবীর নাম। তবে ছেলের নামটি এ সময়ের ফুটবল বিশ্বে প্রভাবশালী নাম এডিসন আরাতো নাসিমেন্টো নামের সাথে মিল ছিল। হ্যাঁ, ছেলের ডাক নাম ছিল নাসিম!

 

নাসিমের পড়াশোনার মন ছিল না। ফুটবল, ক্রিকেট, আধুনিক নৃত্য এবং বয়স্ক মহিলাদের মধ্যে এগিয়ে গিয়ে তাদের প্রেমিকের মন অশান্তিতে ছিল! স্কুলে অধ্যয়নকালে নাসিম জানতে পারে যে তার কাছে স্পোর্টস কলাম লেখার দক্ষতা রয়েছে। বাংলা ভাষায় লেখার ক্ষমতাও বেশ শক্ত।

 

নাসিম খুলনা ছেড়ে চুয়াডাঙ্গা জেলায় বসবাস শুরু করেন। সকল বয়সের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি করে নাসিম প্রেম এবং নাচ নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকল। ফুটবল প্রায় হাল ছেড়ে দেওয়ার মতো। উঁচু অদ্বিতীয় সীমা অতিক্রম করার সাথে সাথেই তিনি জানতে পারেন যে তাকে রাজশাহীতে চলে যেতে হবে। এভাবে নাসিম একদিন রাজশাহী জেলা থেকে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। বাবার বদলি হওয়ার কারণে এটি ঘটে। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী হলেও ঢাকা কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি নিতে দেখা গেছে তাকে। তিনি স্নাতক হওয়ার সাথে সাথে তার বাবা মারা যান। হতাশ নাসিম তখন সমাজের রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেন। অনৈতিক উপায়েও উপার্জনের জন্য ব্যাংকের চাকরিতে এবং বিভিন্ন মিশনে অংশীদার হয়ে ওঠেন।

 

নাসিম, একদিন ঢাকা শহরের রাজনীতিতে চলে গেল। লক্ষ্য ছিল, ব্যক্তিগত ক্ষমতা। পারিবারিক রাজনীতির চিরস্থায়ী সমর্থনকে ছাড়িয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপিতে) তালিকাভুক্ত হন। তিনি বলেছিলেন, “কোন দলই বড় হোক না কেন বড় তার কর্ম ও জনগণের জন্য রাজনীতি I আমি তা করতে পারি বা না পারি! কারণ, প্রতিটি দলের গঠনতন্ত্রের খারাপ লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নেই। সকলের বক্তব্য পার্টি প্রায় একই। মতাদর্শগত। ” অবস্থানটি ভিন্ন হতে পারে। তবে, বাংলাদেশে আদর্শিক রাজনীতি বলে কিছু নেই। তো, কিছুতেই সমস্যা নেই —- আমার পার্টি কোনটি! ”

 

নাসিম যখন তার দুষ্টু পথ ছেড়ে চলে যায়, প্রকৃতি বলে, আপনাকে শাস্তি দিতে হবে। তাকে তিনবার ২৩ দিন কারাগারে থাকতে হয়েছিল। নাসিম কিছুটা বদলে গেল। একদিন তিনি ভাবলেন, তাঁর হাতে কলমটি খুব শক্ত। সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াসও বলেছিলেন। তারপরে সাংবাদিকতায়, লেখায় ফিরে। ফিরে আসার পরে নাসিম রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও জনগণ নিয়ে ভাবতে শুরু করেন এবং কামরুল হাসান নাসিম হয়েছিলেন। কবিতা লেখার প্রতিভা ছিল তার। এমনকি বক্তৃতা দেওয়ার সময় কবিতা প্রকাশের দক্ষতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেয়। তিনি সভায় রাজনৈতিক দর্শন ও মতামত রাখতেন।

 

কামরুল হাসান নাসিম একজন খারাপ সত্তা ছিলেন না। যার মধ্যে দেশপ্রেম ছিল, সংগঠক হওয়ার প্রায় সমস্ত গুণই ছিল। দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাকে বারবার বাছাই করেছে, তাকে নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে —- প্রমাণ করে যে কামরুল হাসান নাসিমও রাজনৈতিক অঙ্গনে রহস্যময় খেলোয়াড়। তবে, প্রচলিত রাজনীতির লোকেরা জানতেন না, কামরুল হাসান নাসিমের আসল উদ্দেশ্য কী ছিল?

 

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, তিনি গোপন সংগঠক ছিলেন। আবার, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের পুনর্গঠন করতে যেয়ে দিনের আলোতেও তাকে রাজনীতি করতে দেখা গিয়েছে।

 

কামরুল হাসান নাসিম মুলধারার একজন পূর্ণাঙ্গ সাংবাদিক। তবে একপর্যায়ে সে হোঁচট খেয়েছে। ২১  ফেব্রুয়ারী, ২০১৩ এ যখন তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তখন তাকে নিজের দেশের জন্য তথাকথিত  রাষ্ট্রদ্রোহী  হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল! সমাজ ও রাষ্ট্রকে বাঁচাতে গিয়ে নাসিমও পাগলা রাজা হয়েছিলেন। যার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করতে হয়েছিল।

 

তবে, কামরুল হাসান নাসিম নিজের চরিত্র পরিবর্তন করতে এবং ‘নাসিম’ হয়ে সাংস্কৃতিক পাড়ার কবি হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। একই সাথে একজন ভাল কবি যিনি ভাল আবৃত্তিকার নন, তিনি সংস্কৃতির পিছনে ফেলে দেশের সেরা আবৃত্তিকার হয়ে উঠেছে, তাঁর কবিতা ও আবৃত্তি শুনে এটা বোঝা যায়। এ কারণেই নাসিম সর্বদা বলেছিলেন যে “এই গ্রহে মাত্র ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ জন কবি এসেছিলেন। আমি তাদের একজন। আমি কবি। বাংলা সাহিত্যে কোনও কবি আসেনি। তারা উপ-কবি বা সহকারী কবিদের স্তরে ছিলেন।”

 

এদিকে জ্ঞানপিডিয়া দাবি করেছে যে কামরুল হাসান নাসিম একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। [১] তিনি ক্র্রলোক নামে বাংলাদেশী ক্রীড়া ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক। [২] তাঁর কর্মজীবনে সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং আধ্যাত্মিক জীবন পাশাপাশি নির্দিষ্ট সতেরোটি ক্ষেত্র রয়েছে [[3]

 

পেশা জীবন

নাসিম এসএ টিভির গণস্বার্থে জননেতা এবং ইসলামিক টিভি ‘লাল সবুজের বাংলাদেশ’ নামে দুটি বাংলাদেশি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক। তিনি ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দ্য ডেইলি আমাদের অর্থনীতি নামে একটি বাংলাদেশি সংবাদপত্রের বিশেষ সম্পাদক ছিলেন। [৪]

 

সামাজিক কাজ

নাসিম ২০০৫ সালের ৫ মার্চ গড়বো বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির আলোচনায় আসেন। গড়বো  বাংলাদেশের একজন প্রতিষ্ঠাতা ও মুখপাত্র হিসাবে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে মানগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেছিলেন। [৫]

 

রাজনৈতিক জীবন

২০০৩ সালে নাসিম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে সাধারণ সদস্য হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন, যখন এই দল নেতৃত্ব দিয়ে ৪ দলীয় জোট ক্ষমতায় ছিল। তারপরে তিনি কৃষক দলের নির্বাহী সদস্য হওয়ার পর বিএনপির একটি অঙ্গ সংগঠন। এরপরে তিনি জাতীয়তাবাদী ব্যবসায়ী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ৯ জানুয়ারী ২০১৫ সালে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে এসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি-র সংস্কারের ঘোষণা দিয়ে আবারও আলোচনায় আসেন।

 

কিন্তু, গভীর বাস্তবতায় তাঁর সতের অঙ্গন সম্পর্কে জ্ঞানিপিডিয়া কর্তৃক বিস্তারিত বর্ণনা এখানে নেই। কারণ, তিনি খুব সম্ভবত এই দুনিয়ার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ দার্শনিক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তিনি এই গ্রহের প্রায় সকল বিষয়ের ওপর মত রাখার সেই ব্যক্তি, যা তিনি লিখে রেখেও আনুষ্ঠানিক প্রকাশনায় এখনো যান নাই। তিনি মাত্র সতের শত পৃষ্ঠা লিখেছেন এবং এই সংখ্যাতেই থাকবেন। কিন্তু বই বাজারে মাত্র একশত পৃষ্ঠা প্রকাশ হয়েছে। উত্তর হয়তো তাঁর কাছে রয়েছে। তিনি বলছেন, ২০২২ সালে আমার সাংস্কৃতিক সকল কাজগুলো উন্মুক্ত হবে।

 

সম সাময়িক কালে তিনি বলেছেন, তাঁর প্রকাশিতব্য উপন্যাসটিকে ভবিষ্যতে কেহ স্বর্গীয় কিতাব বলে চালিয়ে দিতে চাইবে। এ কথা সত্য যে, সারাবিশ্বের সকল উপন্যাস এক পাল্লায় রাখবে আর আমারটি অন্য পাল্লায়। পৃথিবী ধ্বংসের শেষ দিকে দেখবে, ওজন, আমার রচিত পুস্তকের বেশী হবে। উপন্যাসের নাম দিয়েছেন ‘সেতু’।

 

এদিকে মানুষ শীর্ষক মহাকাব্য এবং একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেও তিনি বলছেন। প্রকৃতির বিচার শেষ হোক, অতঃপর তোমরা তা পড়বে।

 

ঈশ্বরমিত্র ছবি আঁকতে পছন্দ করেন। জলরং, তৈলচিত্র এবং স্কেচ তাঁর অস্ত্র। তাঁর চিত্রগুলোর এখনো পর্যন্ত বিষয়বস্ত হল ঈশ্বর, লুসিফার, নারী ও প্রকৃতি। তিনি ২০২২ সালের জানুয়ারী মাসে বাংলাদেশের ঢাকায় ছবিগুলোর প্রদর্শনী করতে চান এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বেও এমন আয়োজনের ধারবাহিকতায় থাকতে চান।

 

অন্যদিকে, তাঁর সামাজিক নাম কামরুল হাসান নাসিম বাংলাদেশের রাজনীতি, শাসনরীতি, জনপ্রতিনিধি, সুশাসন এবং ইতিহাসের ওপর গবেষণা করছেন প্রায় ১৮ বছর ধরে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রামান্য পুস্তক রচনা, জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন মাধ্যমে গবেষণা প্রতিবেদনগুলো প্রকাশ করে আসছেন।

 

নাসিমের সম্পাদনা জ্ঞান, প্রতিবেদন তৈরির যাদুকরী লেখার হাত তাকে আলাদা মাত্রার সংবাদকর্মী হিসাবে পরিচিত করায়। তাঁর কলাম জাতীয় গণমাধ্যমে দৃশ্যগোচর হয় না, তিনি বহু দিন পর পর কলাম নিয়ে হাজির হন।

 

নাসিম রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ধারাভাষ্যকার হিসাবে শাসকশ্রেণি থেকে শুরু করে গোষ্ঠিগত বলয়ের জন্য বলে থাকেন, লিখে থাকেন। তিনি খোলা চিঠি লিখতে অভ্যস্ত।

 

নাসিম মনে করেন, তিনি এখনো পর্যন্ত সঙ্গীত রচনায় সেরা কিছু দেয়ার জন্য সময় বের করতে পারেন না। গানের কথা রচনা ও সুর করবার জন্য তাঁর কাছে সময়ই বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অথচ, তিনি নিজেও কিছু গান গেয়ে যেতে চান।

 

গবেষণা দাবী করে, ঈশ্বরমিত্র আজারবাইজানের কবি নাসিমির পরবর্তী সত্তা, আরো অধিকতর পরিণত। দার্শনিক টমাস পেইন ছিলেন তাঁর আরেকটি পূর্ববর্তী সত্তা। প্যালেস্টাইন রুলের বিরুদ্ধে এক অতি মানব স্যামসনের শারীরিক সক্ষমতার প্রধান অস্ত্রটিও বিদ্যমান তাঁর শরীরে। এই গ্রহের কার্যত প্রথম আধ্যাত্মিক সত্তা জরোস্ট্যায়ারও ঈশ্বরমিত্রের আদি রুপ হিসাবে এই গ্রহে এসেছিলেন। ঈশ্বরমিত্রের চরিত্রকে নিয়ে কাতর হলে দেখা যায় যে, তিনি রাজা রবি বার্মার চিত্রগুলোকে টিকিয়ে রেখে একটি বিশেষ ধর্মের নেতিবাচক পথচলাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতে চান, তোমরা ঈশ্বরের রাজ্যে যাওয়ার রাস্তায় নেই। ঈশ্বরমিত্রের খাদ্যাভাসে যা থাকে তা গৌতম বুদ্ধের পথচলাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলে, তাও তিনিও প্রকৃতির আসল ইচ্ছেকে বা স্বপ্নকে জেতাতে পারেনি। ঈশ্বরমিত্র যে জীব হত্যা করে আহারের টেবিলে রেখে তা ভক্ষণে ব্যস্ত থাকেন না।

 

শুরুর কথায় ফেরা যাক। একজন কামরুল হাসান নাসিম দাফতরিক ও আবাসিক কার্যালয় কেএইচএন সেক্রেটারিয়েট মনে করছে, সমাজকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে নাসিম একদিন কামরুল হাসান নাসিম হয়ে যান। তিনি তখন গড়বো বাংলাদেশ শ্লোগানে মুখরিত হয়ে সামাজিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুনগত পরিবর্তন চেয়ে বসেন। নিজের মধ্যে সাংস্কৃতিক পর্যায়ের গভীর সত্তা থাকায় তিনি যখন কবি হয়ে ধরা দেন , তখন তিনি পাগলা রাজা হয়ে বাংলাদেশ হয়ে দক্ষিন এশিয়ার জন্য ভাবতে থাকেন। তাঁর গ্রেট বেঙ্গল কবিতা ও পাঠ তা রাজসাক্ষ্য দেয়। এই সম্পর্কেই তিনি বলে থাকেন, তিনিই কবি, যখন তাঁর পুরষ্কার জোটে শাশকশ্রেণি কর্তৃক মৃত্যুর পরোয়ানা। নাসিমের মধ্যে নানা কিছু দেখতে যেয়ে আমরা তাঁর সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হই। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব সন্তান হওয়ার সব ধরনের লক্ষণ তাঁর মাঝে আছে। তিনি এই গ্রহের শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক সত্তা হয়ে বিশ্ব পরিভ্রমণে বের হচ্ছেন তা আমরা অবগত। তবু তাকে আমরা পর্যবেক্ষণ করব। ওই সেই প্রতিভাধর শিশুটির ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনায় খেলার মত করে। ঈশ্বরমিত্র নিজেও বলছেন, তিনি সব পর্যায়ে ফলত শিক্ষানবীশ।

 

আবার ঈশ্বরমিত্র এও বলছেন, ঈশ্বর বললেন, “রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জগতের বাসিন্দা হয়ে সমাজকে রুখে দিবে তুমিই। যখন, ‘আধ্যাত্মিক সত্তা’ হয়ে আর অল্প ক’দিনের মধ্যে হাজির হবে—- তখন তোমার পঞ্চাশ না পেরুলেও চলছে। আগভাগেই সবাই জ্ঞাত হবে।

 

তুমি ঈশ্বরমিত্রই কেবল মানবজাতি, উদ্ভিদ, অন্যান্য জীব এবং ভিন্ন গোত্রের একাধিক শক্তিমান অস্তিত্বের ভাল বন্ধুও। তাঁদের সাথে আমার সাক্ষাৎ করবার বাস্তবতায় সংযোগ সেতুর কাজে ওয়ার্ক অর্ডার তুমিই পেয়েছো। যা আমি অন্যকে দিই নাই। সেটি নিয়ে ব্যস্ত থাকো। মনে রাখবে, তোমার অনৈতিক পথচলার খবরে আমি আমার সিদ্ধান্ত বদলাতেও এক মুহূর্ত অপেক্ষা করবো না। তখন সে দায়িত্ব তোমার চেয়ে অধিকতর ঈশ্বরবাদী পাবে। তুমি জানো যে, তোমার মত আরো সাতশত জন তেমন চরিত্র রয়েছে— যাদের প্রত্যেকের জন্ম হয়েছে। ”

 

ঈশ্বরমিত্র মানবজাতিকে বলতে চায়, পৃথিবী ও মহাকাশের অধিকাংশ বিষয় সম্যক তোমাদের গোত্রের এই সাধারণের অজানায় তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু নেই। শ্রেষ্ঠ সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা নিতে তোমরা আমার নয়, ঈশ্বরের অনুসারী হয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা কর এবং বল, আমি ও আমরা জানতে চাই।

 

ঈশ্বরমিত্র এখন কি করছেন? তিনি বলছেন, কামরুল হাসান নাসিম কে দেখো। সে সমাজের মানুষ হয়ে নানা ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করে যাচ্ছে। একটার পরে একটা। শিল্প চলচ্চিত্র থেকে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। চলুক, কিছুদিন। আমি তো আগেই বলেছি, তোমরা প্রকৃতি থেকে শিক্ষা নিতে আগ্রহী নও। আগ্রহী যাতে করে হতে পারো, সেই জন্যই লড়াই করব।

 

অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে কেএইচএন সেক্রেটারিয়েট ঘোষণা করছে, আগামী ২০২২ সালের ২ এপ্রিল নাসিম থেকে কামরুল হাসান নাসিম, এরপর পাগলা রাজা থেকে ঈশ্বরমিত্র হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র আমরা দেখাতে সচেষ্ট হব। এবং, ঈশ্বরমিত্রের ভাষ্য অনুযায়ী তাঁর জীবনের প্রায় সকল সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলোর উন্মোচন, প্রকাশ করার ঐতিহাসিক সঙ্গী হিসাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হব।  ২ এপ্রিল ২০২২ এর জন্য তাহলে অপেক্ষা করাই যায় !

 

যেটায় হোক, ২ এপ্রিল, ২০২১ ! মানবগ্রহে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সম্ভাব্য সত্তার জন্য শুভ কামনা ! তাঁর কথা অনুযায়ী বলা যাক, বাঁচুন আর কিছুদিন ! এক যুগ হলে ভাল !

 

সম্পাদনা ও অনুবাদে

 

আয়শা এরিন

সারাহ আলমাস

অজান্তা রহমান

আলমগীর হোসেন

জাকির হোসেন

 

কেএইচএন সেক্রেটারিয়েট প্রয়োজনেঃ ০১৫৫৯০১৯৪৯৫

উত্তর ভোগড়া, গাজীপুর।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত