প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আল্লাহর নির্দেশ কার্যকর হবেই

ইসলামি ডেস্ক: বিশ্বের প্রথম মানব ও প্রথম নবী হযরত আদম ছফীউল্যাহ (আ.) হতে শুরু করে আখেরী নবী হযরত মোহাম্মাদ মুস্তাফা আহমাদ মুজতাবা (সা.) পর্যন্ত সকল নবী ও রাসূলগণের এবং তাদের উম্মতগণের পরম ও চরম পবিত্র এবাদতের স্থান হলো মাসজিদ। মাসজিদ শব্দের অর্থ হলো সেজদাহ্র স্থান, আরাধনার স্থান, ভূমিতে মস্তক স্থাপন করে প্রনিপাত করার স্থান। পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহের মাঝে মাসজিদবিষয়ক দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।

সর্বশেষ আসমানী কিতাব কুরআনুল কারীম গভীর মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করলে দেখা যায় যে, আল কুরআনে ‘মাসজিদ’ শব্দটি এক বচনে মাসজিদুন ও মাসজিদিন রূপে ২০ বার ব্যবহৃত হয়েছে। আর মাসজিদান রূপে দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে। একুনে এক বচনে মাসজিদ শব্দটি বাইশ বার আল কুরআনে এসেছে। যথা- ২ নং সূরা বাকারাহ-এর ১৪৪, ১৪৯, ১৫০, ১৯১, ১৯৬ ও ২১৭ নং আয়াতে। আর ৫ নং সূরা মায়েদাহ-এর ২ নং আয়াতে। ৭ নং সূরা আ’রাফ-এর ২৯ ও ৩১ নং আয়াতে। ৮ নং সূরা আনফাল-এর ৩৪ নং আয়াতে।

৯ নং সূরা তাওবাহ-এর ৭, ১৯, ২৮, ১০৮ নং আয়াতে। ১৭ নং সূরা বনী ইস¯্ঈলের ১ ও ৭ নং আয়াতে। ২২ নং সূরা হজ্জ-এর ২২ নং আয়াত। ৪৮ নং সূরা কাতহ-এর ২৫ ও ২৭ নং আয়াতে। তবে লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে এই যে, ১৭ নং সূরা বনী ইস¯্রাঈলের ১ নং আয়াতে মাসজিদ শব্দটি দুইবার এসেছে। আর একবচনে মাসজিদান রূপে শব্দটি ৯ নং সূরা তাওবাহ-এর ১০৭ নং আয়াতে এবং ১৭ নং সূরা কাহফ-এর ২১ নং আয়াতে এসেছে।

মহান আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত মাসজিদসমূহকে ‘নিজের’ বলে ঘোষণা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে : নিশ্চয়ই মাসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য, এতে আল্লাহর সাথে অন্য কারো আরাধনা তোমরা করো না। (সূরা জিন্ন : আয়াত ১৮)। আর যারা মাসজিদ নির্মাণ করে, আবাদ করে, তাদের স্বরূপ আল কুরআনে বিবৃত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে : অবশ্যই ঐ সকল লোক আল্লাহর মাসজিদসমূহ নির্মাণ ও আবাদ করে যারা আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে এবং কিয়ামতের দিনের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে।

(সূরা তাওবাহ : আয়াত ১৮)। আর যারা মাসজিদ বিদ্বেষী, যারা মাসজিদে নামাজ আদায় ও যিকির আযকারে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, মাসজিদ ধ্বংস করে ও মাসজিদ বিরাম করার অপতৎপরতায় লিপ্ত, তাদের স্বরূপ তুলে ধরে আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে : তারাই হচ্ছে কাফির শ্রেণীভুক্ত যারা তোমাদের মাসজিদুল হারামে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। (সূরা ফাতহ : আয়াত ২৫)। এই একই নির্দেশনা সূরা হজ্জের ২৫ নং আয়াতেও ধ্বনিত হয়েছে। অপর এক আয়াতে ইরশাদ হয়েছে : আল্লাহর পথে বাধা প্রদান করা, আল্লাহর সাথে কুফরী করা ও মাসজিদুল হারামকে ধ্বংস করাই তাদের একান্ত কামনা। (সূরা বাকারাহ : আয়াত ২১৭)।ইনকিলাব

 

সর্বাধিক পঠিত