প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলচ্চিত্র ব্যবসা উত্তরণে প্রয়োজন নতুন শিল্পী

ইমরুল শাহেদ: শাপলা মিডিয়া একশ’ ছবি ঘোষণা দিয়ে কিছু মানুষের কাজের সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু কলা-কুশলী নিয়ে তাদের কোনো সমস্যা না হলেও দুটি সমস্যা তাদের সামনে বিদ্যমান রয়েছে। একটি হলো সুন্দর চিত্রনাট্য এবং আরেকটি হলো শিল্পী সংকট। এক শিল্পী দিয়েই হয়তো চার পাঁচটি ছবি বানাতে হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটিকে। এসব ছবিতে প্রথম সারির কোনো তারকা নেই। এর কারণ বাজেট ও সময় স্বল্পতা। কিন্তু এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি চাইলে নতুন শিল্পীদের সুযোগ দিতে পারত। সেখানেও সময়ের প্রয়োজন।

নতুন শিল্পী তৈরি করতে যে শ্রমের প্রয়োজন হয়, সেটা দিতে কেউ আগ্রহী নয়। চলচ্চিত্র পরিবারও এখন অনুভব করছে নতুন শিল্পীর। পরিচালক সমিতির নতুন মুখ সন্ধানে নেওয়া উদ্যোগ মহামারীর কারণে থেমে গেছে। নতুন কমিটি এসে হয়তো সেটা এগিয়ে নেবে। এমনটাই বলেছেন কয়েকজন প্রার্থী। এছাড়া চলচ্চিত্র ব্যবসা থমকে যাওয়ার কারণেও এই উদ্যোগটির প্রতি কারো আগ্রহ থাকেনি। অনেকে অভিযোগ করেন, সিনেমা হল মালিকরা নতুন শিল্পীদের নিয়ে তৈরি ছবি প্রদর্শন করতে চান না। মহামারীর অনেক আগেই পরিচালক এহতেশামকে নতুনদের নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। শাবনাজ-নাঈম অভিনীত চাঁদনী ছবিটি কেউ প্রদর্শন করতে চাননি।

তাই সীমিত সংখ্যক সিনেমা হলে মুক্তি দিয়ে এহতেশামকে ব্যবসায়িক সাফল্য প্রমাণ করতে হয়েছে। নতুন পরিচালক তোজাম্মেল হক বকুলের ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবিটিও প্রদর্শন করতে চান নি সিনেমা হল মালিকরা। তারা সে সময়ে বলেছিলেন, সাপ-ব্যাঙের ছবি চলে না। কিন্তু চলচ্চিত্র ব্যবসায় চাঁদনী এবং বেদের মেয়ে জোসনা বড় ধরনের ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তারপরও নতুনদের নিয়ে কাজ করতে গেলে যেমন প্রতি পদে পদে বাধার সৃষ্টি হয়, তেমনি বাধা আসে নায়কদের কাছ থেকেও। সায়মন-বাপ্পীরা আগেই জানতে চান তাদের বিপরীতে নায়িকা কে? কোনো নতুনের নাম বলা হলে তারা আর আলোচনা এগুতে চান না এবং নিজেদের পছন্দের কোনো নায়িকার কথা বলেন। তাদের ভাবটা এমনই দেখা যায় যে, তারা কখনো নতুন ছিলেন না। কিন্তু এ ধরনের বাধা অতিক্রম করে নতুন শিল্পী তৈরি করা না গেলে চলচ্চিত্র ব্যবসা পল্লবিত হবে না এবং ব্যবসাটা হিমাগারেই থেকে যাবে বলে অনেকে মনে করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত