প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্মৃতি ধরে রাখতে বরগুনায় নৌকার আদলে জাদুঘর নির্মাণ

ডেস্ক নিউজ: হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী নৌকার স্মৃতি ধরে রাখতে সাগর তীরবর্তী জেলায় বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর স্থাপন করেছে জেলা প্রশাসন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নৌকার আদলে এই জাদুঘর নির্মাণ করা হয়। জাদুঘরে রয়েছে বিলুপ্ত ও প্রচলিত ৭০ ধরনের নৌকার নিদর্শন।

সময়ের পালা বদলে কাঠের তৈরি নৌকার স্থান দখল করেছে লোহা ও স্টিলের তৈরি যন্ত্রচালিত নৌযান। হারিয়ে যাওয়া নৌকার স্মৃতি ধরে রাখতে এরই মধ্যে দক্ষিণের জেলা বরগুনায় গড়ে তোলা হয়েছে একটি যাদুঘর।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নৌকা রক্ষায় নৌপথে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি পর্যটনের বিকাশ প্রয়োজন।

বরগুনার বাওয়ালকর খেয়া ঘাট এখনো আছে। পারাপারের ব্যস্ততা থাকলেও নেই আগের জৌলুস। আবহমান বাংলার অনেক কালজয়ী গান, গল্প ও কবিতা রয়েছে এই খেয়া পারাপার মাঝি কিংবা খেয়াঘাট নিয়ে। কিন্তু সময়ের পালাবদলে সেই ঐতিহ্যে ভাটা পড়েছে।

সামান্য অর্থের বিনিময়ে নদী পাড় করে দেয়া সুজন মাঝিদের জীবনের গল্পটা যেন সুকুমার রায়ের কবিতার মতো ষোলো আনাই মিছে।

তারা জানান, শুনেছি ব্রিজ হবে। তাহলে আমাদের কী হবে। বাপ-চাচা এটা করে গেছেন। আমরাও এটা করছি।

লোহার তৈরি কিংবা শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নৌকা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে কাঠের নৌকার জায়গা। ঐতিহ্যবাহী নৌকা তৈরিতে খরচ বেশি হওয়ায় পিছিয়ে যাচ্ছেন মাঝিমাল্লারা। সত্তরের দশকে ঢাকার ওপর দিয়ে বয়ে চলা বালু নদী দিয়ে নৌকায় পণ্য নিয়ে যেতেন ব্যবসায়ীরা। সত্তরোর্ধ সুনীলের সেসব স্মৃতি এখনও অমলিন।

নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌকা বরাবরই যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। এক সময় দেশে দেড়শো’র বেশি ধরনের নৌকার প্রচলন ছিল। বিলুপ্ত হয়েছে ৩০টিরও বেশি ধরন। সময়টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত