প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চট্টগ্রামে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত গ্রেপ্তার

রিয়াজুর রহমান : [২] সোমবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরীর পাঁচলাইশ থানার প্রবত্তর্ক মোড়ের ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। এসময় তার একান্ত সচিব মারুফসহ আরও দুজনকে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়।

[৩] সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, সন্ধ্যায় পুলিশ ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল থেকে ডা. শাহাদাত ও তার পিএ মারুফসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এরআগে বিএনপি অফিস থেকে নগর মহিলা দলের সভানেত্রীসহ বিএনপির ১৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছিল।

[৪] বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (২৯ মার্চ) দুপুর ৩টার দিকে নগরের কোতোয়ালী থানার নাসিমন ভবনস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধায়। এতে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

[৫] বিএনপি অফিসের সামনের সড়কে দুটি মোটর সাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কাজীর দেউড়ি মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ঢালও ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীদের হামলায় এক নারীসদস্যসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

[৬] এবিষয় সিএমপির উপ কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, আমিতো দীর্ঘদিন বিএনপির এদের ড্রিল করছি দক্ষিণের ডিসি হিসেবে। তারা আজকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই হঠাৎ করে পুলিশের ওপর মারমুখী আচরণ শুরু করে। তাদের হামলায় আমাদের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেছে। গাড়িতে আগুন দিয়েছে। বোমাবাজি করেছে।

[৭] অন্যদিকে গ্রেপ্তারের আগে বিকেলে সংঘর্ষে ৮ জন গুলিবিদ্ধসহ ২০ নেতাকর্মী আহত হওয়ার দাবি করেছেন নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

[৮] বিকালে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘আমরা লিখিতভাবে সিটি এসবি থেকে অনুমতি নিয়েছি। আমি কাজীর দেউড়ি থেকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার আগেই দেখি পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে। তাদের হামলায় অন্তত ২০জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন। আমি নিজেও অনেককে চিকিৎসা দিয়েছি। গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে পুলিশের হামলা কেনো বুঝলাম না। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদম

সর্বাধিক পঠিত