প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রবিউল আলম: বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যাবে না

রবিউল আলম: বাঙালি ভাষা, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, মানবিক মানবতা ও জাতির জনককে নিয়ে কখনো আপোস করেনি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস, আমাদের জাতিসত্তা অভাব ও প্রয়োজনীয়তা কি ভারত ছাড়া পূরণ হবে, নাকি ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকা যাবে? স্বাধীনতা অর্জনের পরে মুক্তিযোদ্ধার ঐক্যবদ্ধ জাতির পিতার পাশে থেকে দেশ উন্নয়নে ভূমিকা পালন করতো, বাংলাদেশের ইতিহাস, বাঙালির ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো। পিতার হুক্কার দাবায়ে রাখতে পারবে না। বাঙলির প্রতিটি অবস্থান স্বাধীনতার আশা আকাক্সক্ষা জেগে ওঠেছি, উঠিয়ে ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অনেক কথা লেখতে পারবো না। মানুষকে ধর্মের বিচারেও আনতে পারবো না। ভালোবাসার জয় হয়, কৌশলে জাতিকে রক্ষা করতে হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারলে আজকের বিশ্বে ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া দেখতে হতো না। মোল্লাদের হুংকার মুসলিম জাতিকে রক্ষা করতে পারেনি।

সৌদি, আরব-আমিরাত, সুদান,মিসরকে এখন ইজরায়েলের দালালি করতে হচ্ছে। মনে কষ্ট হয়, আফগানস্থানের মতো দেশ মৌলবাদীর কোথায় পৌঁছে দিয়েছে, কাশ্মীরিকে ভারত, পাকিস্তান, চীনারা ভাগবাটরা করে নিয়েছে। আমাদের মুসলমানরা রক্ত, জীবন কোনোটাই দেওয়ার জন্য হাজি হয় না। দুঃখ হয়, আল্লাহ পাকের, কোরআন ও হাদিসের বয়ান থেকে নরেন্দ্র মোদির নাম এখন বেশি করে জপে। ভারতের মুসলমানরা কী একবারও বাংলাদেশকে তিস্তার পানি দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছে। ভাইজান আব্বাস মমতা দিদির গদিরক্ষার জন্য হিন্দুদের সঙ্গে বসে খাদ্য গ্রহণ করছে। ভারতের মুসলমানরা কি একবারও ভারত ভাগ করতে চেয়েছে? আপনারা আসলেই কারা? মানবিক, মানবতার? নাকি ধর্মের নামে মানুষ হত্যার হাতিয়ার। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে একাত্তর আমরা অনেক দেখেছি। আপনারাও কৃতকর্মের পুরস্কার ফাঁসি নিয়েছেন, নিচ্ছেন। বাঙালিকে দাবাতে পারেননি। জাতির পিতার উক্তিই বাঙালির মুক্তির সনদ। মোদির জন্য কয়জন জীবন দেন, দেখার অপেক্ষায় থাকলাম। লেখক : মহাসচিব বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত