প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইন্দিরা গান্ধীর ভারত, কংগ্রেসের ভারত, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ভারত

আরিফ জেবটিক, ফেসবুক থেকে : ভারতে যে সরকার এখন ক্ষমতাসীন, সে উগ্র সাম্প্রদায়িক সরকার। কূটনৈতিক রুলবুক অনুযায়ী আমাদের এখানে কিছু করার নেই। ভারত যদি একটি সাম্প্রদায়িক সরকারকে নির্বাচিত করে, আমরা যদি নিমন্ত্রন করি তবে সেই সরকারই আমাদের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বর্ষপূর্তিতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবে, দূর্ভাগ্যজনক বাস্তবতা।

কিন্তু এর মানে সেই লোকের পাপ স্খলন হয়ে যায় না। মোদির জন্ম চরম সাম্প্রদায়িকতার গর্ভে। গুজরাটের হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষের রক্ত লেগে আছে মোদীর হাতে।

কূটনৈতিক কারনে তাকে হয়তো আমাদের মেনে নিতে হচ্ছে, কিন্তু মনে নিতে হবে এমন কোনো দোহাই নেই।
তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ যদি বলে, ‘মোদী তুমি ফিরে যাও’, সে অধিকার তাঁদের আছে। রাষ্ট্র যেমন দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসবে, রাষ্ট্রের জনগনের কেউ চাইলে তার প্রতিবাদও করতে পারে। বিশ্বের সব দেশেই এমন প্রতিবাদ চলে, সেখানে সরকার সমর্থক পেটোয়া বাহিনী খড়গহস্ত হয় না।

টিএসসির গুটিকয় লোকের সেই প্রতিবাদ হয়তো তেমন গুরুত্বও পেত না।
কিন্তু বাংলার মোদীরভাইরা মারদাঙা করে, পিটিয়ে সে খবর রাষ্ট্র করে দিয়েছে। এই হচ্ছে মোদীরভাইদের রাজনৈতিক জ্ঞান!
খসে পড়া প্যান্টের চিপা দিয়ে উঁকি দেয়া লাল আন্ডুর ঢিলা ইলাস্টিকে বাধা যাদের জীবন, এইসব হাফন্যাংটা ক্লাউনদের কাছ থেকে আর কী-ই বা আশা করা যায়!

তবে ঐ গুটিকয় ‘বামাতি’ লোকের লাভ হলো যে, তাঁদের আন্দোলনের খবর আমজনতার কাছে পৌঁছাল।
একজন গণহত্যাকারীকে প্রটোকল দিয়ে আমাদের দেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশবছর পূর্তিতে আনতে হচ্ছে, কিলিয়ে গুতিয়ে একে চুপ করানো যায়, কিন্তু এই বেদনা অস্বীকার করার উপায় নেই।

সর্বাধিক পঠিত