প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার উচ্চতায় বাংলাদেশ, প্রয়োজন রফতানি বৈচিত্রে সুযোগ সৃষ্টি

মিনহাজুল আবেদীন: [২] স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে বিস্ময়কর উত্থানের নাম বাংলাদেশ। শিল্প এবং বাণিজ্য ক্ষেত্রে এসেছে ব্যাপক সাফল্য। উৎপাদন সফলতায় বিশ^ বাজারে কয়েকটি পণ্য শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। ধারাবাহিক উৎপাদনে বাড়ছে দেশজ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি। এসেছে ব্যাপক সম্ভাবনাও। তবে বৈচিত্র এবং বাজার সম্প্রসারণ আরও দরকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যমুনা টিভি

[৩] অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি গার্মেন্টস খাতে কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আসছে। বর্তমান বিশ্বে পোশাক রপÍানি দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ৪২ তম। পোশাক বাজারে এ অংশ ছয় ভাগ এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

[৪] তথ্য মতে, ৮০ দশকের আগে বাংলাদেশের একমাত্র রপ্তানিমুখি খাত ছিলো পাট ও পাটজাত প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। এখন তা আর পাটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দিনে দিনে এর পরিধি বাড়ছে। অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গার্মেন্টসখাতেও ব্যাপক পরিবর্তন। কলকারখানা ও বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বাড়ছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের সব খাতে ব্যাপক মাত্রায় উন্নতি হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তা উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ১৯৭২-৭৩ অর্থ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিলো ৩৪ কোটি ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সেটির লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার।

[৫] গার্মেন্টস উদ্যোক্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা অনেক সময় অপরিচিত বায়ারকেও কাজ দিয়ে থাকি। অথচ তাদের সম্পর্কে আমাদের নিকট কোনও তথ্য থাকে না। অনেক ক্ষেত্রে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হই। ৫০ টা দেশে একটি করে বিজিএমইয়ের উয়িং খোলা উচিত। তাদের কাজই হবে গার্মেন্টসের প্রচার, দ্বন্দ্ব ও সব সমস্যাগুলো তুলে ধরা।

[৬] বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের জাহাজ ইউরোপের দেশগুলো কিনছে। মটরসাইকেল, বাইসাইকেল সারাবিশ্বে রপ্তানি হয়। শুধুমাত্র আরএমজির ওপর ৮০ শতাংশ ভরসা করলে চলবে না। এখন সরকারের উচিত হবে রফতানিতে বৈচিত্র নিয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি করা। সম্পাদনা: রাশিদ

সর্বাধিক পঠিত