শিরোনাম
◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশিত : ০৯ মার্চ, ২০২১, ০১:২৭ রাত
আপডেট : ০৯ মার্চ, ২০২১, ০১:২৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] যাদের ময়লা তাদের গেটেই ফেলে আসলেন মেয়র আতিক

সুজিৎ নন্দী: [২] বর্জ্য রাখার জন্য স্থান না রেখে মিরপুর-৩ নম্বর সেকশনে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য একটি আবাসন প্রকল্প তৈরি করা হয়। ফলে ওই প্রকল্প এলাকার গৃহস্থালীর বর্জ্য প্রকল্পের সামনের রাস্তায় ফেলে আসতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে ক্ষুব্ধ হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

[৩] প্রকল্প এলাকার ওই সব বর্জ্য সড়কের পাশে ছড়ানো ছিটানো পড়ে থাকতে দেখতে পান মেয়র। তিনি সেগুলো প্রকল্পের মূল ফটকে ফেলে আসতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। পরে সংস্থার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা যন্ত্র দিয়ে সেই বর্জ্য সংগ্রহ করে প্রকল্পটির মূল ফটকে রেখে আসেন।

[৪] আতিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনও ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই বর্জ্য রাস্তায় ফেলছেন। এতে নগরের পরিবেশ নোংরা হচ্ছে।

[৬] সকাল সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর পল্লবী এলাকার সাগুফতা খাল পরিদর্শন করেন ডিএনসিসির মেয়র। পরে তার উপস্থিতিতে ফগার ও স্পে মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটিয়ে কিউলেক্স মশকনিধনের সমন্বিত অভিযান শুরু হয়।

[৭] মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এই আবাসনে ৬শ’টির বেশি পরিবার বাস করে। কিন্তু সরকারের যে সংস্থা এই আবাসন করেছে, তারা বর্জ্য রাখার জন্য কোনও জায়গায় রাখেনি। এখন তারা জায়গা দিলে এসটিএস নির্মাণ করে দেবে ডিএনসিসি। সম্পাদনা: বাশার নূরু

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়