প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আনিস আলমগীর: ফখরুদ্দীন- মইনুদ্দিন আমলে ৭ মার্চ

আনিস আলমগীর: তর্জনি উচিয়ে, ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে, রেসকোর্স ময়দানের সমাবেত লাখো জনতার সামনে বঙ্গবন্ধুর বলা ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম’- আমার জীবনে শোনা এখনো সেরা ভাষণ। শুনেই এই অবস্থা! যারা সেদিন সেখানে ছিলেন, তাদের অনুভূতি যে কী হয়েছিল বুঝতে পারি। আজ সেই ঐতিহাসিক দিন- ৭ই মার্চ। স্মরণ করতে চাই দিনটিকে, আরেকটি ৭ মার্চকে স্মরণ করে। আপনাদের হয়তো বিশ্বাস হবে না, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ ভাষণটি বাংলাদেশের টিভি-রেডিওতে নিষিদ্ধকালের ঘটনা না, এটি ৭ মার্চ ২০০৭  সালের ঘটনা, মানে ১/১১ সরকারকালের ঘটনা, যখন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায়। সেবার বাংলাদেশের একটি মাত্র টিভি চ্যানেলে এই ভাষণটি সম্প্রচার হয়েছে। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, শুধু বৈশাখী টিভিতে সম্প্রচার হয়েছে। আমি তখন সেখানে হেড অফ নিউজ। আমাদেরকে আওয়ামী লীগ বা অন্য কেউ বলেনি এটা প্রচার করতে।

এটি আমাদের জন্মের ইতিহাস, তাই সংবাদ বিভাগের উদ্যোগে পুরো ভাষণটি সম্প্রচার করা হয়েছে- ঠিক বিকেল বেলা যখন বঙ্গবন্ধু ভাষণটি দিয়েছিলেন। বৈশাখীর তখনকার এমডি কে এম শহীদুল্লাহ সাহেবের পূর্ণ সমর্থন ছিলো তাতে। না, এটি সম্প্রচারে আমাকে বা টিভি কর্তৃপক্ষকে সেনা সরকারের কেউ বাধা দেয়নি, বা পরেও জানতে চায়নি কেন প্রচার করলাম। সেদিন যারা প্রচার করেননি, তারা কোনও বাধা পেয়েছেন তা মানতে পারবো না। কেন তাহলে  এতোদিন পর ঘটনাটি বলছি। বাহবা নিতে? না, জাস্ট বাঙালির চরিত্র বুঝাতে। দেখেছেন তো, এবারের বই মেলায় কতোজন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘আবর্জনা’ বের করেছে।

এখন টিভি সাংবাদিকদের কতো বীর পুরুষকেইতো দেখেন বঙ্গবন্ধু বলে মুখের ফেনা তুলে ফেলছে। আজও দেখবেন কতো দালাল মালিক-সাংবাদিক ৭ মার্চের ভাষণ সম্প্রচার করবে, কতো অনুষ্ঠান করবে, টক শো করবে এটা নিয়ে। ২০০৯ থেকেই কিন্তু পুরোদমে করে আসছে। কারণ একটাই-  এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, যদি হালুয়া রুটি কম পড়ে যায়....।[৭ মার্চ ২০২০, ফেবু]। ফেসবুক থেকে, মামুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত