প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতার সঙ্গে পোপ ফ্রান্সিসের ‘ঐতিহাসিক সাক্ষাৎ’

আখিরুজ্জামান সোহান: [২] শিয়াদের শীর্ষ নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আল-সিস্তানির সঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু পোপ ফ্রান্সিস সাক্ষাৎ করেছেন। আল-সিস্তানির সঙ্গে পোপ ফ্রান্সিস সাক্ষাৎকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। বিবিসি

[৩] নাজাফের রাস্তায় একটি ব্যানারে এই ঐতিহাসিক বৈঠককে ''মসজিদের মিনার ও গির্জার ঘন্টার মধ্যে'' বৈঠক বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

[৪] শনিবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ থেকে তারা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা দেন। সেখানে ইরাকে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করা খ্রিষ্টান সংখ্যালঘুদের পাশে থাকতে মুসলিমদের আহ্বান জানান পোপ ফ্রান্সিস। আল-সিস্তানির অফিস ও ভ্যাটিকানের দীর্ঘ আলোচনার সূত্র ধরে শনিবার আল-সিস্তানির বাড়ি যান পোপ।

[৫] সাক্ষাতের পর এক বিবৃতি দেয় আল-সিস্তানির অফিস। সেখানে বলা হয়, ইরাকের খ্রিষ্টানদের রক্ষায় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রয়েছে ও শিয়া নেতা নিশ্চিত করেছেন, সব ইরাকিদের মতো শান্তি ও নিরাপত্তা পাওয়া এবং পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার তাদের রয়েছে।

[৬] ইরাকে ২০০৩ সালের মার্কিন নেতৃত্বাধীন দখল অভিযানের পর থেকে দেশটির সংখ্যালঘু খ্রিস্টানরা ব্যাপক সহিংসতার শিকার হয়।

[৭] গ্র্যান্ড আয়াতোল্লা আল-সিস্তানি বলেছেন "ইরাকের আর সব জনগণের মত খ্রিস্টান নাগরিকদেরও শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে এবং তাদের পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে জীবন কাটাতে না পারার বিষয়টাতে তিনি উদ্বিগ্ন"।

[৮] ইরাকের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে সহিংস একটা সময়ে দেশটির ''সবচেয়ে দুর্বল এবং সবচেয়ে নির্যাতিত সম্প্রদায়ের মানুষের পক্ষ নিয়ে কথা বলার'' জন্য পোপ ফ্রান্সিস আয়াতোল্লাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

[৯] শুক্রবার এক ঐতিহাসিক সফরে ইরাকে পৌঁছান পোপ ফ্রান্সিস। দেশটিতে এটিই প্রথম কোনও পোপের সফর। করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর এটি পোপ ফ্রান্সিসেরও প্রথম আন্তর্জাতিক সফর।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত