প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ চির অম্লান: ন্যাপ

সমীরণ রায়: [২] বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া এক বিবৃতিতে আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। ‘বঙ্গবন্ধুর এই উদাত্ত আহŸানে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিল।

[৩] তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ পরবর্তী সময়ে স্বাধীনতার সংগ্রামের বীজমন্ত্র হয়ে ওঠে। এ উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। প্রায় ১৯ মিনিটের এ ভাষণে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এরই ধারাবাহিকতায় রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

[৪] তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আমাদের ইতিহাস এবং জাতীয় জীবনের এক অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য অধ্যায়। এতে সব ধরনের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বজ্রতুল্য ঘোষণা, যা কেবল একাত্তরেই নয়, বর্তমান সময়েও আমাদের অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত করে। দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও জনগণের মুক্তির লড়াই-সংগ্রামে এই ভাষণ অনুপ্রেরণা যোগাবে।

[৫] তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের একদিন পর ৯ মার্চ মওলানা ভাসানী তার চিরাচরিত দরাজ কণ্ঠে ঘোষণা দেন, ‘হে বাঙালিরা, আপনারা মুজিবের ওপর বিশ্বাস রাখেন, তাকে খামোখা কেউ অবিশ্বাস করবেন না। মুজিবের নির্দেশ মতো আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে কিছু না হলে আমি শেখ মুজিবের সঙ্গে মিলে ১৯৫২ সালের মতো তুমুল আন্দোলন গড়ে তুলব।’ মওলানা ভাসানী এই বক্তব্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পরিচালিত স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।

[৬] শনিবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত