প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঢাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো হুজির, অপারেশন শাখার প্রধানসহ’ গ্রেপ্তার-৩

মাসুদ আলম: [২] গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামির (হুজি) অপারেশন শাখার প্রধান মাইনুল ইসলাম, শেখ সোহান স্বাদ ও মুরাদ হোসেন কবির। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। তাদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত ১টি গাড়ি, ৫টি মোবাইল, ১টি মাইক্রোফোন, ১টি চাপাতি, ২টি ছোরা, ১০টি ডেটোনেটর, ১৭০টি বিয়ারিং লোহার বল, ১টি স্কচটেপ, ৫ লিটার অ্যাসিড, ৩টি আইডি কার্ড ও উগ্রবাদী বার্তার বই উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে।

[৩] সিটিটিসি জানায়, ঢাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা ছিলো মাইনুলের। সে সাংবাদিকতার বেশ ধারণ করে সংগঠনের দাওয়াতি কাজ, অর্থ সংগ্রহ, বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ করে আসছিলো। সে ২০১৫ সালে হুজি’র শীর্ষ নেতা কারাবন্দি মুফতি মঈনউদ্দিন ওরফে আবু জান্দালকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলো।

[৪] সিটিটিসির আরো জানায়, মাইনুলের নেতৃত্বে ৬৪ জেলায় সংগঠন পুনর্গঠন, পূর্ণাঙ্গ শুরা কমিটি প্রস্তুত, অর্থের জোগান নিশ্চিত, সদস্য সংগ্রহ, অস্ত্র সংগ্রহ, বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ, কারাবন্দী সদস্যদের জামিনের ব্যবস্থা প্রভৃতি কাজ চলছিলো। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় কারাগারে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা আবু সাঈদ ও ২০০০ সালে কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মেহেদী হাসানের নির্দেশে সংগঠনের কাজ করছিলেন মাইনুল।

[৫] সিটিটিসি জানায়, সোহানের বাড়ি হবিগঞ্জে। তিনি এইচএসসি পাস করে ঢাকার মিরপুর বাঙলা কলেজে পড়ালেখার পাশাপাশি একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতো। ২০১৬ সালে ঢাকায় একুশে বইমেলায় নাশকতার ঘটনায় সে গ্রেপ্তার হয়েছিলো। জামিনে বের হয়ে সে মাইনুলের নেতৃত্বে হুজির হয়ে কাজ করছিলো।

[৬] মুরাদ ব্যবসার আড়ালে হুজি সংগঠনের দাওয়াতি ও বায়তুল মালের দেখভালের দায়িত্ব পালন করতো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত