প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইসলামের দৃষ্টিতে শিষ্টাচারিতা

ডেস্ক রিপোর্ট:মানব জীবনে শিষ্টাচারের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজ গঠনে বা ব্যক্তি গঠনে যার প্রয়োজনীয়তা অতুলনীয়। শিষ্টাচার সম্পন্ন ব্যক্তি কোনো অন্যায়ের সঙ্গে নিজেকে জড়ায় না, কারো সঙ্গে শত্রুতা করে না বা কারো স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করে না।

শিষ্টাচার হচ্ছে ভদ্র, মার্জিত ও রুচিসম্মত আচরণ। শিষ্টাচার মানুষকে সংযমী ও বিনয়ী করে তোলে। শিষ্টাচারের গুরুত্ব সম্পর্কে রসুল (স) বলেন, ‘নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্র, ভালো ব্যবহার ও পরিমিত ব্যয় বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করা নবুওতের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ’। [আবু দাউদ, হা-৪৭৭৬]হজরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা) বলেন, ‘তুমি আদব অন্বেষণ কর। কারণ আদব হলো বুদ্ধির পরিপূরক, ব্যক্তিত্বের দলিল, নিঃসঙ্গতায় ঘনিষ্ঠ সহচর, প্রবাস জীবনের সঙ্গী এবং অভাবের সময়ে সম্পদ’। [ইছবাহানি, মুনতাখাব; সাফারিইনি, গিযাউল আলবাব, ১/৩৬-৩৭।]

আহনাফ আল-কায়েস বলেন, ‘আদব বা শিষ্টাচার বিবেকের জ্যোতি যেমন আগুন দৃষ্টিশক্তির জ্যোতি’। [ফত্ওয়া আল-মিছরিয়া, ১০/৩৫৯, ‘আদব’ অধ্যায়।]পৃথিবীতে যারা মানুষ হিসাবে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন, তারা কেবল শিষ্টাচার ও নম্র-ভদ্র ব্যবহারের মাধ্যমেই মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। প্রত্যেক ধর্মে শিষ্টাচারের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহানবি (স) ছিলেন শিষ্টাচারের মূর্ত প্রতীক। উন্নত ব্যবহারের জন্য তিনি ছোট-বড় সবার কাছে ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। সংযম, বিনয়, ভদ্রতা তার চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কখনো তিনি কারো সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি, উদ্ধত আচরণ করেননি। এ কারণেই যুগে যুগে মানুষের কাছে তিনি এত শ্রদ্ধার পাত্র। এক দার্শনিক তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘আকল (বুদ্ধি) ছাড়া যেমন আদব হয় না; তেমনি আদব ছাড়াও বুদ্ধিমান হয় না।’ ইত্তেফাক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত