প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গাড়ির সম্পূরক শুল্ক হারের পুনঃবিন্যাস চায় বারভিডা

সুজিৎ নন্দী: [২] বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) নেতৃবৃন্দ বলেছেন, মোটরযানখাতের বাজেট প্রস্তাবনায়  রিকন্ডিশন্ড গাড়ির সিসি স্ল্যাব ও সম্পূরক শুল্কের হার পুনঃবিন্যাসের প্রস্তাব দিয়েছে। রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি ও বিপণনখাতে বারভিডার বিনিয়োগ রয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। বারভিডা বছরে সরকারকে কয়েক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিয়ে থাকে। তাই তাদের বিষয়টি বিবেচনার দাবি রাখে। সারা বাংলা

[৩] নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বারভিডার সদস্যরা আয়কর, ভ্যাট এবং রোড ট্যাক্স প্রদানের মাধ্যমে দেশে একটি ব্যাপক ভিত্তিক করকাঠামো তৈরিতে অবদান রেখে আসছে। রিকন্ডিশন্ড মোটরযান ব্যবসাকে নির্ভর করে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি ও বিমা কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।

[৪] নেতৃবৃন্দ বারভিডা মোংলা বন্দরের রাজস্ব আহরণের প্রধান খাত। দীর্ঘদিন অচল হয়ে পড়ে থাকা মোংলা বন্দর ২০০৯ সাল থেকে ব্যবহারের মাধ্যমে বারভিডা বন্দরটিকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। যার স্বীকৃতি সরকার বারভিডাকে দিয়েছে।

[৫] মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় বারভিডার পক্ষ থেকে সংগঠনটির সবাপতি আবদুল হক এই দাবি উপস্থাপন করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন-এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন, মাসুদ সাদিক, গোলাম কিবরিয়াসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

[৬] বারবিডার সভাপতি আবদুল হক বলেন, বর্তমানে সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮শ’সিসি পর্যন্ত রিকন্ডিশন্ড গাড়ির শুল্কহার মূল্য রয়েছে ২০ শতাংশ যা ১ থেকে ২ হাজার সিসি পর্যন্ত ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। আর সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ১৮০১ সিসি হতে ২হাজার সিসি পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ রয়েছে যা ২০০১ থেকে ২৫শ’ সিসি পর্যন্ত শুল্কায়ন মূল্য ৪৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।

[৭] তিনি আরো বলেন, সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ২০০১ হতে ৩ হাজার সিসি পর্যন্ত বর্তমানে রয়েছে ৬০ শতাংশ যা ২৫০১ সিসি থেকে ৩৫শ’সিসি পর্যন্ত ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি। সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৩০০১ সিসি ৪ হাজার সিসি পর্যন্ত বর্তমানে রয়েছে ১শ’ শতাংশ যা ৩৫০১ সিসি হতে ৪হাজার সিসি পর্যন্ত ১শ’ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। এছাড়া সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি ৪ হাজার সিসি এর বেশি শুল্কায়ন মূল্য ৩শ’ শতাংশ রয়েছে যা ৪ হাজার সিসি এর বেশি ১৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।

[৮] নেতৃবৃন্দ বলেন, আশির দশক থেকে জাপান থেকে মোটরকার, জিপ, স্টেশনওয়াগন, মাইক্রোবাস, ভ্যান, পিক আপ, কোস্টার, মিনিবাস, ট্রাক, লরিসহ বিভিন্ন প্রকার রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি বাংলাদেশে শুরু হয়। যার ফলে এখন বাংলাদেশের চেহারা এক প্রকার বদলে গিয়েছে। গত ৪০ বছরের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে সারা বাংলাদেশে প্রায় ৯শ’ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। একই সাথে এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকার রাজস্ব দিয়ে আসছে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত