প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পাবনায় ক্যাপসিক্যাম আবাদে বাণিজ্যিক সাফল্য, বাড়ছে পরিধি

কালাম আজাদ : [২]  সম্পূর্ণ নতুন বিদেশী সবজি ক্যাপসিক্যামের আবাদে বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। বাজারের দাম ও চাহিদা ভালো হওয়ায় দিনদিন এর আবাদের দিকে ঝুঁকেছে স্থানীয় কৃষকেরা। প্রথমদিকে অনাগ্রহ থাকলেও পরে উচ্চমূল্যের ফসলটির আর্থিক সম্ভাবনার কথা চিন্তা করেই চাষীরা ক্যাপসিকাম চাষ বৃদ্ধি করছে। লাভবানের দিক তুলে ধরে আবাদে চাষীদের উৎসাহ দিচ্ছে কৃষিবিভাগ।

[৩] সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম একজন উচ্চশিক্ষিত কৃষক। প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি দুই বছর শখের বসে চার বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলক বিদেশী সবজি ক্যাপসিকামের আবাদ করেন। অভিজ্ঞতা না থাকায়, ফলন ভালো না হলেও দমে যাননি নজরুল। ইন্টারনেট থেকে আবাদের বিষয়ে জেনেছেন, সরেজমিনে গাজীপুরে গিয়ে ক্যাপসিক্যাম আবাদ দেখে এসে ভুলত্রুটি শুধরে এ বছর দুইবিঘা জমিতে করেছেন ক্যামসিক্যামের আবাদ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মৌসুমের শুরুতেই মিলেছে ভালো ফলন।

[৪] গত বছর ক্যামসিক্যাম ক্ষেতে আগাছার কারণে ফলন ভালো হয়নি, খরচও বেশী হয়েছে। সে ঝামেলা এড়াতে এবার জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে পলিথিন বিছিয়ে চারা রোপণ করেছেন। আর তাতেই বাজিমাত। নজরুলের হিসেবে প্রতিটি গাছ থেকে তিনি গড়ে এককেজি ফলন পেলেও তার লাভের অঙ্ক চার লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

[৫] ক্যাপসিক্যাম চাষী নজরুল ইসলাম জানান, শখের বসে শুরু করলেও এখন পেশা হয়ে গেছে। দুই বছর আগে চার বিঘা জমিতে শুরু করি। প্রথমে কিছু সমস্যার কারণে লাভবান হতে পারিনি, তবে আগ্রহটা দ্বিগুণ হয়েছে। জেদ চেপেছে মনে যে, হবে না কেন  জেনে শুনে এ বছর শীতের শুরুতে আবারও ক্যাপসিক্যাম আবাদ করি। আল্লাহর রহমতে এবার ফলন খুবই ভাল হয়েছে। বাজারে এর চাহিদা খুবই ভাল।

[৬] তিনি আরো জানান, আমাদের উৎপাদিত ক্যাপসিক্যাম ঢাকার কাওরান বাজারে পাঠাচ্ছি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমাদের ফলনগুলো যাচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতেও আমাদের ক্যাপসিক্যাম যাচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন রেস্টুরেন্টেও এর ব্যাপক চাহিদা, সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাবনাতে খুব বেশি কেউ এ আবাদ করে না। আমিই প্রথম শুরু করেছি। আস্তে আস্তে আবাদ বাড়ছে। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত