প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মঞ্জুরুল হক: ‘যে কোনো প্রতিবাদ করতে গেলেও পুলিশের  কাছে অনুমতি নিতে হবে’, কেন?

মঞ্জুরুল হক: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার লেখক মুশতাক আহমেদ গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে গত বৃহস্পতিবারে মারা গেছেন। ‘রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে’র অভিযোগে গ্রেপ্তার মুশতাক আহমেদ গত বছরের মে মাস থেকে কারাবন্দি ছিলেন। মাথা ঘুরে পড়ে গেলে তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এবং হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, কারাগার থেকে মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা ও অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। এগুলো পুরোনো গৎ। বায়বীয় এক ‘ঠুঁটোজগন্নাথকে তারা রাষ্ট্র বলে। সেই রাষ্ট্রের ভাব এবং মূর্তি থাকে। আর তা যে কোনো সাধারণ মানুষ যখন-তখন ক্ষুণ্ন করে বসে। তারপর রাষ্ট্র (আদতে সরকার ও তার পোষা লেঠেল) যখন-তখন যাকে খুশি তুলে নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ফাঁসিয়ে দেয়। এই আইন যখন করা হয় তখন যারা সমর্থন করেছিল, আজ তারা জেল খাটছে। মরছে পচে মাটিতে মিশে যাচ্ছে।

এখনও যারা এই ঘৃণ্য আইনকে প্রকাশে-গোপনে সমর্থন করে ‘দলদাস’গ্রুপে নাম লেখাচ্ছেন, কালকে তারাও জেল খাটবেন। মরবেন। পচে-গলে মাটিতে মিশে যাবেন। মুশতাক কেন মরলো? এ নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদী হয়েছিলো। মিছিল হতে চেয়েছিল। পুলিশ হতে দেয়নি। ফ্যাসিবাদের আর সব বৈশিষ্ট থাকুক, এই বৈশিষ্ট কী সকলে অস্থি-মজ্জায় উপলব্ধি করছেন না? ‘যে কোনো প্রতিবাদ করতে গেলেও পুলিশের কাছে অনুমতি নিতে হবে’। কেন? আমরা যদি অত্যাচার-নিপীড়নের কারণে পুলিশের শাস্তি দাবি করি, সেটাও কি পুলিশের কাছে অনুমতি নিয়ে করতে হবে? শুক্রবার বিকেলে শাহবাগে রক্ত ঝরল। আরও ঝরবে। তার পরও এই জংলি আইনের বিলুপ্তি দাবি করুন। দাবি অব্যহত রাখুন। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত