প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আনুশকার মৃত্যু হয়: সিআইডি

সুজন কৈরী: [২] গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ও লেভেলের ছাত্রী আনুশকার মৃত্যু হয়। রোববার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগস্থ সিআইডির সদরদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির সাইবার ক্রাইম কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো.কামরুল আহসান বলেন,  ডিএনএ টেস্ট এখনো চলছে এবং ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো আসেনি।  তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত শেষে  প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন,  আনুশকার শরীরে  ‘ফরেন বডি’র  আলামত পাওয়া গেছে।  আর এটাই তার মৃত্যুর কারণ।

[৩] রাজধানীর পল্লবী থেকে নিষিদ্ধ পণ্য সেক্স টয় বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। উদ্ধার করা হয়েছে ১২ লাখ টাকার পণ্য। সে ব্যাপারে জানাতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অতিরিক্ত ডিআইজি জানান,  গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রেজাউল আমিন হৃদয় (২৭), মীর হিসামউদ্দিন বায়েজিদ (৩৮), মো.সিয়াম আহমেদ ওরফে রবিন (২১), মো.ইউনুস আলী (৩০), আরজু ইসলাম জিম (২২) ও চক্রের মূল হোতা মো.মেহেদী হাসান ভূইয়া ওরফে সানি (২৮)।  তাদের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকার সেক্স টয়, ৫ টি মোবাইল ফোন, ১টি ল্যাপটপ ও ৯ টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি মামলা করা হয়।

[৪]  তিনি বলেন, তদন্ত মাত্র শুরু করেছি। ওয়েবসাইটে যারা এসব বিক্রি করছে তাদের ফুটপ্রিন্ট আছে। এ বিষয়গুলো আমরা ধরে ধরে কাজ করবো।  এই চক্রের কয়েকটি ওয়েবসাইট আছে। ওই ওয়েবসাইটে যেকেউ প্রবেশ করলেই প্রলুব্ধ হবে। তবে তারা বিশেষ করে ত্রিশোর্ধ্ব একটি গ্রুপকে টার্গেট করে তারা এসব নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি করত।

[৫] তিনি বলেন, বিষয়টি সিআইডির সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার ইনভেস্টিগেশন টিম এর নজরে আসে। অনুসন্ধানের জানতে পারে কয়েকটি সংঘবদ্ধচক্র নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ফেসবুক পেজে নিষিদ্ধ যৌন উদ্দীপক বিভিন্ন পণ্যের ছবি এবং ভিডিওসহ বিক্রির বিজ্ঞাপন দিচ্ছে। সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার ইনভেস্টিগেশন টিম এ ধরনের কয়েকটি ফেসবুক পেজকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।ওয়েবসাইটগুলো হল- TVC SKY SHOP BD, Sky Shop BD, TVC SKY SHOP,ও Asian Sky Shop ।

[৬] তিনি জানান, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এসব পণ্য বিক্রির কার্যক্রম চলছে। যেমন লাইকি, টিকটক ব্যবহার করে একটি ক্লোজ গ্রুপ তৈরি করে, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ডিজেপার্টির আড়ালে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছিলো। আমদানি নিষিদ্ধ এসব পণ্য দেশে আসার ক্ষেত্রে কাস্টমসের দায়ভার এড়াতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত