প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাণিজ্যিকভাবে টেকসই গবেষণা কার্যক্রমে শিল্পখাতকে এগিয়ে আসতে হবে

সোহেল রহমান: [২] ঢাকা চেম্বার আয়োজিত ‘শিল্প-শিক্ষাখাতের সমন্বয়; নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

[৩] তিনি বলেন, এ ধরনের কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগ একান্ত অপরিহার্য। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ শিল্পখাতের প্রয়োজনীয় মাফিক শিক্ষা কারিক্যুলাম প্রস্তুতের পাশাপাশি দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে সক্ষম হবে। শিক্ষা ও শিল্পখাতের বিদ্যমান দূরত্ব কমিয়ে এনে শিল্পখাতের দক্ষ মানবসম্পদের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে একটি ম্যাপিং করা খুবই জরুরী।

[৪] শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশি^ক প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার জন্য শিক্ষা ও শিল্পখাতের বিদ্যমান মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে এবং একই সাথে নতুন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে এবং এ সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য ‘শিক্ষা, শিল্প ও গবেষণা’ ত্রি-পাক্ষিক সমন্বয় বাড়ানো একান্ত অপরিহার্য। একই সঙ্গে কারিগরি ও প্রযুক্তি ভিক্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবতনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

[৫] স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের অভাবনীয় উন্নতি ও এসডিজি ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের পরিবর্তন বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি সর্বোপরি সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার সূচনা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারে প্রায় ৬৩.৫ মিলিয়ন লোক নিয়োজিত রয়েছে এবং প্রতিবছর প্রায় ২০ লক্ষ নতুন জনবল শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে।

[৬] তিনি বলেন, প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থী বিশ^বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রী লাভের পরও শিল্পখাতে প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে চাকুরী পেতে বেশ প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। বিশ^বিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করার পর প্রায় ৩৮.৬{ad64619640810e9013223584b010804239ca6b561b5a263c67f92ebb34ec4048} শিক্ষিত তরুণ কর্মহীন হয়ে পড়ে, যা কিনা শিল্পখাতের প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবকেই প্রমাণ করে। ্এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে শিল্প ও শিক্ষাখাতের সমন্বয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে আভির্ভূত হয়েছে। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে বতমানে কর্মক্ষম জনশক্তির প্রায় ৫০ ভাগকেই পুনঃদক্ষ করে তুলতে হবে এবং দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে বিশ^বিদ্যালয়গুলো এবং বেসরকারিখাতকে একযোগে কাজ করার পাশাপাশি বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে কার্যকর গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও সময়োপযোগী শিক্ষা ক্যারিকুলাম প্রণয়ন ও প্রবর্তন করা জরুরী। বিশ^বিদ্যালয় ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রমে কর অব্যাহতি প্রদান এবং শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণায় সরকারি বিনিয়োগ আরো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বাধিক পঠিত