প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দারিদ্র দূর করে ‘হিউম্যান মিরাকল’ দেখিয়েছে চীন দাবি শি’র

রাশিদ রিয়াজ : কোনও দেশ এত কম সময়ে লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্রসীমার ওপরে তুলে আনতে পারেনি। বেইজিংয়ে এক অনুষ্ঠানে এই দাবি করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ওই অনুষ্ঠানে তিনি গ্রামোন্নয়ন দফতরের কর্মকর্তাদের পদক দেন। কর্মকর্তাদের অনেকে তাদের আঞ্চলিক পোশাক পরে এসেছিলেন। সিনহুয়া/টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্রেসিডেন্ট শি বলেন, দারিদ্র দূরীকরণে তার দেশ যে সফলতা পেয়েছে, সেই অভিজ্ঞতা থেকে অন্য দেশও লাভবান হতে পারে। গত বছরও চীন দাবি করেছিল, সেদেশের কেউই এখন আর দারিদ্রসীমার নীচে পড়ে নেই। যে ব্যক্তির দৈনিক রোজগার ২.৩০ মার্কিন ডলার তাকেই দেশটিকে দরিদ্র বলে ধরা হয়। বিশ্বব্যাঙ্কের মাপকাঠি অনুযায়ী যে ব্যক্তির দৈনিক রোজগার ১.৯০ ডলার, তিনি দরিদ্র। সেই তুলনায় চীনের মাপকাঠিতে দরিদ্রদের দৈনিক রোজগার সামান্য বাড়িয়ে ধরা হয়েছে।

বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতে, সত্তর দশকের শেষদিকে চীনে বাজার অর্থনীতি চালু হওয়ার পরে ৮০ কোটি মানুষের দারিদ্র দূর হয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি’র দাবি, সেদেশের সব মানুষেরই দারিদ্র দূর হয়েছে। শুধু তাই নয়, এখনও যে দেশগুলি দারিদ্র দূর করতে পারেনি, তাদেরও সাহায্য করছে চীন। গত বছর চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০০ বছর পূর্তি হয়। ২০১৫ সালে শি ঘোষণা করেছিলেন, ’২০ সালের মধ্যে দেশ থেকে দারিদ্র দূর করবেন। সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য চীন সরকার অবকাঠামো উন্নয়নে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করে। দেশ জুড়ে অনেক রাস্তা ও আবাসন তৈরি হয়। গ্রামে দারিদ্র দূর করার জন্য করছাড় ও ভর্তুকি দিতে থাকে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বিশ্ব স্বীকার করেছে, সত্তর দশকের পরে চীনের নাগরিকদের একাংশের জীবনযাত্রায় নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। তারা এখন এমন অনেক পণ্য ও পরিষেবা কিনতে পারছেন, যা তাদের আগের প্রজন্ম চিন্তাই করতে পারত না। কিন্তু চীনের চরম দারিদ্র দূর করতে পারলেও অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, দারিদ্রের জন্যই চীনে বৃদ্ধি পেয়েছে দুর্নীতি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত