প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ডিএনসিসির বিশেষ মশা নিধন অভিযানে সাড়ে ছয় হাজার স্থাপনা পরিদর্শন, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

সুজিৎ নন্দী: [২] বিশেষ মশক নিধন অভিযানের চতুর্থ দিনে বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ৬ হাজার ৬৬৪টি সড়ক, নর্দমা, জলাশয়, স্থাপনা পরিদর্শন করে। এ সময় ২৮টিতে মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৪ হাজার ৩৯৬ টিতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে কীটনাশক দেয়া হয়। মশার লার্ভা ও বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়ায় ১৪টি মামলায় মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

[৩] উত্তরা অঞ্চলে ৬৮৩টি স্থাপনা পরিদর্শন করে কোথাও মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ৫৫০টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক প্রয়োগ করে।

[৪] মিরপুর-২ অঞ্চলে ১২০টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ২১টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক দেয়া হয়।

[৫] মহাখালী অঞ্চলে ১ হাজার ৯৯৫টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৩টিতে মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ১ হাজার ১৯৮টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক দেয়া হয়।

[৬] কারওয়ান বাজার অঞ্চলে ১৫২টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ২টিতে মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ১শ’টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়।

[৭] হরিরামপুর অঞ্চলে ১ হাজার ৩৫৭টি স্থাপনা পরিদর্শন করে কোথাও মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ১ হাজার ৫৫টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক দেয়া হয়।

[৮] দক্ষিণ খান অঞ্চলে ৯১৭টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টিতে মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ৬২২টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক দেয়া হয়।

[৯] উত্তর খান ৭৭১টি স্থাপনা পরিদর্শন করে কোথাও মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ৪৪৯টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক দেয়া হয়।

[১০] ভাটারা অঞ্চলে ৪২০টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩টিতে মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ থাকায় ৩৫২টি স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করে কীটনাশক দেয়া হয়।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত