প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শহীদ মিনারে বিএনপির এমপিকে ছাত্রলীগের ধাওয়া

ডেস্ক নিউজ: শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার সময় বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জিএম সিরাজের ওপর চালিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী । এতে সাংসদের কোন ক্ষতি না হলেও বিএনপির ৫/৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এসময় উপস্থিত পুলিশের সহযোগিতায় ফাঁড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে রক্ষা পান জিএম সিরাজ।

রোববার সকাল ৯টার দিকে শহরের শহিদ খোকন পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ঘটনা ঘটে। পরে পাশের পুলিশ ফাঁড়িতে তারা আশ্রয় নেন।

সাংসদ গোলাম মো. সিরাজ বলেন, আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গসংগঠনের আসল চরিত্রই হলো হামলা মামলা করা। আমরা তাদের এই চরিত্র দেখে অভ্যস্ত। অশিক্ষিত আর মূর্খ দিয়ে ওই সংগঠন চলছে। তাদের কাছে এর চেয়ে আর বেশি কিছু আশা করা ঠিক না। তিনি আরো বলেন, আজকের এই মহান দিনে যারা আমাদের ওপর হামলা করেছে তারা আর যাই হোক দেশাত্মবোধকে অন্তরে ধারণ করে না।

সদর পুলিশ ফাঁড়ির টিএসআই খোরশেদ আলম রবি বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্ধারিত সময়ে শ্রদ্ধা জানাতে না আসায় এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার রায় জানান, নেতাকর্মীরা শহিদ মিনারে দলীয় স্লোগান দিচ্ছিলেন। এ সময় এমপি সিরাজের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘সরকারবিরোধী ও কটূক্তিমূলক’ পাল্টা শ্লোগান দেন। তখন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে উঠলে এমপি ও নেতাকর্মীরা পালিয়ে যান।

জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক একেএম সাইফুল ইসলাম জানান, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করেন। তখন নেতাকর্মীরা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।

তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এমপি সিরাজের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শহিদ খোকন পার্কের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি (এমপি) নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নবাববাড়ি সড়কে দলীয় কার্যালয়ে ফিরছিলেন।

পার্কের প্রধান ফটকে পৌঁছলে শহিদ মিনারে অবস্থানরত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গোলাম মোহাম্মদ সিরাজকে ‘স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার’ আখ্যায়িত করে স্লোগান দেন।

এক পর্যায়ে তারা এমপি সিরাজকে ধাওয়া করেন। এ সময় তিনি, বিএনপি নেতা আলী আজগর তালুকদার হেনা, এমআর ইসলাম স্বাধীন, তাহাউদ্দিন নাইন, খাদেমুল ইসলাম, সৌরভ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ দৌড়ে পাশের পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেন।

পরে পুলিশ বিএনপি নেতৃবৃন্দকে দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে দেন। পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও টেম্পল রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। সূত্র: জাগো নিউজ ২৪.কম, যুগান্তর অনলাইন

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত