প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মুক্তিযোদ্ধাদের পুনরায় যাচাই-বাছাই ও প্রকাশ্যে সাক্ষ্য নেয়ার দাবি

মঈন উদ্দীন:[২] মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়ে ভাতা পান রাজশাহী মহানগরের এমন ১২৬ জন তাদের গেজেট নিয়মিত রাখার সুপারিশ পাননি।

[৩] সম্প্রতি বেসামরিক গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত রাজশাহী মহানগর কমিটি এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) নির্দেশনায় এই কমিটি মোট ১৬০ জনকে যাচাই-বাছাই করেছেন।

[৪] এর মধ্যে ৩৪ জনকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট নিয়মিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। ৮৪ জনের আবেদন সরাসরি নামঞ্জুর হয়েছে। ২৬ জন গেজেট নিয়মিত করার আবেদন না করার কারণে তাদের ব্যাপারে সুপারিশ করা হয়নি। এছাড়া আটজনের ব্যাপারে দ্বিধাবিভক্তি সিদ্ধান্ত এসেছে বলে কমিটি উল্লেখ করেছে। এর বাইরে আরও আটজনের ব্যাপারে অধিকতর যাচাই করে জামুকাকেই সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে কমিটি। গত মঙ্গলবার প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

[৫] এই প্রতিবেদন জেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। যারা সুপারিশ পাননি তারা প্রতিবেদনটি দেখার পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। তারা শনিবার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করে পুনরায় যাচাই-বাছাই করার দাবি জানিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের এই প্রক্রিয়ায় প্রকাশ্যে সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। নগরীর কাশিয়াডাঙ্গায় রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি লিমিটেডের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

[৬] মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুর রহমান। সদস্য সচিব ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী এস. মনিরুল ইসলাম। সুপারিশ না পাওয়া ব্যক্তিরা কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন।

[৭] সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কমিটির সভাপতি সফিকুর রহমান ২০১২ সালে নগরীর ২৬০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভুয়া’ হিসেবে উল্লেখ করে জামুকায় চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচনে তার প্যানেল পরাজিত হয়। এই ক্ষোভ থেকে তিনি যাচাই-বাছাইকালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটে নাম সুপারিশ করেননি। তিনি কমিটির অন্যদের প্রভাবিত করেছেন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত