প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুলশানে শপিং মেলায় অংশগ্রহণকারী ১৯ অনলাইন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ: ভ্যাট গোয়েন্দা

সুজন কৈরী: গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে অনলাইন শপিং মেলায় ভ্যাট গোয়েন্দার একটি দল অভিযান চালিয়ে ভ্যাট ফাঁকির মহোৎসব দেখতে পায়। এতে অংশ নেয়া ১৯ অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্যাট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সোমবার এই সংক্রান্ত চিঠি জারি করেছে সংস্থাটি।

গুলশান এক নম্বরের ৩২ নম্বর বাড়ির ১৬ এর বহিস্থ লনে ‘ও প্লে’ নামক একটি রেস্টুরেন্টে গত ১২ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপী এই মেলায় ১৯টি অনলাইন বিক্রেতা অংশ নেন। ওই রেস্টুরেন্টের উদ্যোগে মেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর বলছে, গোপর তথ্যে খবর পেয়ে সংস্থার সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মহি উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল মেলার দিন বিকেলে সেখানে গিয়ে ক্রেতাদের সমাগম দেখতে পান। মেলায় অংশ নেয়া ১৯টি স্টলের সবগুলোর মালিকের অনলাইন বিক্রির নিজস্ব ফেসবুক পেজ রয়েছে। তারা প্রত্যেকে প্রদর্শনী করে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করে। মেলায় অংশ নেয়া স্টলের মধ্যে মহিলাদের ড্রেস ও জুয়েলারির সামগ্রী বেশি।

মেলায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- সানাহ শরিফ, মারাভ বাই নাজিয়া, আবহমান বাই রাফিয়া, লা ডিমোরা, মেরি নেশন, লাহা, সুজানাজ, সোনিয়া মমতাজ, হ্যাভেনলি ডেজার, রেড চেরি, তাইয়াবাজ ক্লোজেট, সামার বাই সানজিদা, জাইয়ানা বাই সুমনা, এফএসকে ফ্যাশন, হোয়াইট ব্লজম, সুজানাজ ক্লোজেট, মহুয়া শরফুদ্দিন, হেনা ও শারকিয়া।

অভিযানকালে ভ্যাট গোয়েন্দার দলটি দেখতে পেয়েছে, অংশ নেয়া ১৯টির মধ্যে মাত্র ২টির ভ্যাট নিবন্ধন রয়েছে। তবে তারা নিয়মিত ভ্যাট ও রিটার্ন দেয় না। বাকি ১৭টির ভ্যাট নিবন্ধনই নেই। ভ্যাট আইন অনুযায়ী ভ্যাট নিবন্ধন না নিয়ে কোনও ব্যবসা চালানো যায় না। অনলাইন কেনাকাটায় ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রযোজ্য এবং প্রতি মাসের হিসাব পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট অফিসে রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযানকারী দলটি দেখতে পেয়েছে, গুলশানের রেস্টুরেন্টটি এর আগেও দুবার একই প্রাঙ্গনে একইরকম মেলার আয়োজন করেছিলো। তখনও ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া পণ্য বিক্রি হয়েছে।

ভ্যাট গোয়েন্দার দল প্রত্যেকটি স্টল মালিকদের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক তথ্য সংগ্রহ করেছে। তাদেও কাছ থেকে শুক্রবারের বিক্রির হিসেব নিয়েছে।

ভ্যাট গোয়েন্দার দল ভ্যাট আইন লংঘনের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনার ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম কমিশনারের কাছে সুপারিশ করেছে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত