প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মিয়ানমারের অভ্যুত্থান পুরো অঞ্চলের উপরেই সুদুরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ইতোমধ্যেই উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে দেশটির রাজনীতি। নতুন করে ক্ষমতা দখল করা সামরিক প্রশাসক মিন অং হ্লাইং কারফিউ এবং সামরিক আইন ব্যবহার করে তা দমনের চেষ্টা করছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দেশটিতে রক্তক্ষয় হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। অবশ্য বেইজিংয়ের আরো কাছে এসে পড়তে পারে নেইপিদো।  সিএফআর

[৩] দেশটির অর্থনীতি এমনিতেই বড় ধরণের বিপদে রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে তা একেবারেই ধসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যেই জাপানি জায়ান্ট কিরিন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকা দেশটির বৃহত্তম কঙ্গোমার্টের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে। নিজেদের সম্মান বাচাতে অন্য বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগ ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

[৪] এর ফায়দা পেতে পারে থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ। সিএফআর মনে করে, বিশেষত রাখাইনের সিথওয়েতে যে বিপুল বিনিয়োগ হয়েছে, তা চলে আসতে পারে বাংলাদেশের মিরসরাই ও মাতারবাড়িতে।

[৫] মিয়ানমারে এমন এক বাহিনী ক্ষমতায় এলো, অতি সাম্প্রতিক সময়ে যারা গণহত্যায় লিপ্ত ছিলো। এর প্রভাবে প্রতিবেশি দেশগুলোর সামরিক বাহিনীতে উগ্রতা দেখা দেবে বলেও মনে করে অনেক বিশেষজ্ঞ। বিশেষত থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামে এ ধরণের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা প্রবল।

[৬] কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন নিশ্চিতভাবেই বড় ধরণের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনতে যাচ্ছে মিয়ানমারকে। ভারত ও জাপান হয়তো ছোট মাত্রার অবরোধ দেবে। কারণ তারা চায় না, নেপিইদো বেইজিংমুখো হোক। কিন্তু সে আশা হয়তো পূরণ হবে না। সামরিক শাসকরা চীন থেকে সুবিধা পেলে সেদিকে ঝুঁকবেই।

সর্বাধিক পঠিত