প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বেড়েছে তেল-চাল-ডিম-মুরগীর দাম, কমেছে আলুর

শাহীন খন্দকার: [২] এক সপ্তাহের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় তেল-চাল ডিমসহ সোনালী মুরগী ও ব্রয়লার। এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে আলু-পেঁয়াজ, গরু ও খাসির মাংসের দাম।

[৩] শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বৃহত্তর কৃষি বাজার, টাউনহল, শেখের টেক, নবোদয়সহ কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে বাজারের এ চিত্র দেখা গেছে।

[৪] এসব বাজারে লেবুর হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতিপিস ৫০টাকা, মুলাওশালগম ২০টাকা,গাজর ৩০টাকা সিম ৩০ থেকে ৪০টাকা। করলা ৭০-৮০টাকা, পাকা টমেটো ২০ থেকে ৩০টাকা আর কাচাঁ টমেটো ২৫ থেকে ৩০টাকা। ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি কুমরার কেজি ৩০ টাকা, আলু ডায়মন্ড বিক্রি হচ্ছে ১৬ টাকা কেজি, লাল আলু ছোটটা ২৫ টাকা কাঠি আলু ১৬ টাকা, চিচিংগা ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

[৫] হালিতে ৫ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা। কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আদা প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুনের কেজি নতুন ৮০ টাকা। কাচাঁ পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, মটরশুটি ৫৫ টাকা সাজনা ৩’শ টাকা, পটল ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। কচুলতা ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

[৬] বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭৫ টাকায়। আতিক ইন্ট্রারপ্রাইজের ম্যানেজার রফিক জানান, প্রতি কেজি চালের দাম গত এক সপ্তাহে পাইকারী প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১ টাকা থেকে ২ টাকা। আর খুচরা বাজারে বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা। বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ১০৫ থেকে ১৩০ টাকা।

[৭] ইন্ডিয়ান মিনিকেট পাইকারি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৯ থেকে ৬০ টাকায় নাজির শাইল ৫৮ থেকে ৬২ টাকায়, মিনিকেট ৫৮ টাকা, ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৪৯ থেকে ৫০ টাকায়। তবে আরও চালের দাম বৃদ্ধি পাবে বলে জানালেন তিনি। ভোজ্যতেল ব্যবসায়ি আব্দুল আলিম জানালেন খোলা ভোজ্যতেলর লিটার ১৩৮ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে শনিবার থেকে প্রতি লিটারের ৫ টাকা করে বেড়ে যাবে বলে তিনি জানালেন।

[৮] ডিমের দাম ৫ টাকা বেড়ে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি মুরগীর ডিমের ডজন ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজিতে দাম মুরগী বিক্রেতা আইয়ুব আলী জানালেন, সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩শ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, লেয়ার পাকিস্তানি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। প্রশ্নে জবাবে বলেন, শীতকালে মুরগির উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে দাম বাড়তে শুরু করেছে। শীত মৌসুমে ফার্মগুলোতে মুরগী মৃত্যুর হারও বেড়ে যায়। এসব কারণে এখন বাজারে মুরগীর দাম চড়া যাচ্ছে। এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।

[৯] বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫২০ থেকে ৫৫০ টাকা, মহিষ ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা। এসব বাজারে হাওড়ের প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৫শত থেকে ৭শত টাকা, হাওড়ের পাবদা মাছ ৭শত টাকা চাষের মাছ ৩শ থেকে ৪শত টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাওড়ের শৈল মাছ ৬শ টাকা আর চাষের শৈল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪শ থেকে ৫শ টাকায়।

[১০] চিংড়ি প্রতি কেজি ৪শ থেকে ৫শ টাকায় , হাওড়ের বোয়াল প্রতি কেজি ৮শ টাকায় চাষের বোয়াল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, ফোলি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা চাষের ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ (দেশি) ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইড় হাওড়ের ৫০০।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত