প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিঝুম মজুমদার : বিএনপি-জামায়াত এবং কেয়ারটেকার সরকারের আমলে কতোজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিলো?

নিঝুম মজুমদার : একটা ভুল আমরা অনেকেই করেছি, ইনফ্যাক্ট আমিও করেছি। সেটা হচ্ছে জোসেফ-এর  কারাদণ্ডের কোনো আদেশ ছিলো না। ছিলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ। নি্ম্ন আদালতে জোসেফের  কারাদণ্ডের রায় হয়েছে ঠিক, কিন্তু উচ্চ আদালতে আপিল করবার পর সেই সাজা কমিয়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই  কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে জোসেফ ২০ বছর জেল খেটেছিলো, বাকি ছিলো দেড় বছরের মতো। ফলে রাষ্ট্রপতি আসলে জোসেফের দেড় বছরের সাজা মওকুফ করেন, মৃত্যুদণ্ড নয়। জানিয়ে রাখা ভালো যে, কারাবিধির ৫৬৯ ধারা অনুসারে কোনো বন্দি তার সাজার মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ খাটলে সেই বন্দির বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ না থাকে, তবে সরকার চাইলে বিশেষ সুবিধায় তাকে মুক্তি দিতে পারে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিএনপি-জামায়াত এবং কেয়ারটেকার সরকারের আমলে কতোজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিলো? (২০০১ থেকে ২০০৮ সালের হিসেব) উত্তর হচ্ছে-বিএনপি-জামায়াত জোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারে শাসনামল মিলিয়ে তার আগের আট বছরে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পান চারজন, যার মধ্যে মৃত্যুদণ্ড  দণ্ডিত মহিউদ্দিন ঝিন্টু।

চারদলীয় জোট সরকার আমলে ক্ষমা পাওয়া ঝিন্টু ছিলেন সুইডেন বিএনপির নেতা। সূত্রাপুরের দুই ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে এরশাদ আমলে সামরিক আদালতে তিনিসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিলো। ঝিন্টু ২০০৫ সালে দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পান। এখন বলেন, আর কী কখনো বলবেন যে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি জোসেফকে ক্ষমা করে দিয়েছে রাষ্ট্রপতি? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত