প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১] রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাশেদ হত্যায় জড়িতদের বিচার চাইলেন মা

ইসমাঈল ইমু: [২] মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিশেন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রাশেদের মা জোহরা আক্তার লাকী বলেন, তার ছেলে মাহবুবুর রহমান রাশেদকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ২০১৮ সালের ২৩ মে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর আগে ওই চক্রের সদস্যরা আমার পরিবারের উপর হামলাও চালায়। এতে গুরুতর আহত হয়ে আমি ১৭ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম।

[৩] তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর মোফাজ্জল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, প্রান্ত, সালেহা শিলাসহ আরও ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করি। এরপর থেকে ওই চক্রটি আমার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে। তারা আমার ক্রয়কৃত জায়গাও দখলের চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দেয়ার কারণেই আমার ছেলেকে হত্যা করে তারা।

[৪] তিনি আরও বলেন, রাশেদ হত্যার পর থানায় মামলা করার পর আসামীরা মোটা অংকের টাকায় ডাক্তারকে ম্যানেজ করে ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাল্টে দেয়ার চেষ্টা করে। এছাড়া আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আমাদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মোফাজ্জল গংরা অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে দিয়ে ফোন করে বাড়ি দখল করে নেয়ার হুমকি দেয়। এছাড়া ওই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই পরিচয় দিয়ে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেয়। নানাভাবে তারা আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

[৫] জোহরা আক্তার জানান, মামলা তদন্ত চলাকালে থানা পুলিশের গাফিলতি পরিলক্ষিত হওয়া রাশেদের লাশ পুনরায় কবর থেকে উত্তোলনের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইতে আবেদন করেছি। তবে সেখান থেকে কোনো তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছেনা।

[৬] তিনি বলেন, একমাত্র ছেলে হারিয়ে আমি দিশেহারা। আর একমাত্র কলেজ পড়ুয়া মেয়ে রয়েছে আমার। রাশেদের খুনিরা তারও ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। আপনাদের মাধ্যমে রাশেদ হত্যাকান্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে নিহত রাশেদের বাবা এরশাদ উল্লাহ ও বোন তানজুম আফরিন এশা উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত