প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]বই-পুস্তকে ভাষা আন্দোলনে গ্রামের মানুষের অবদানকে উপেক্ষা করা হয়েছে: যতীন সরকার

শাহীন হাওলাদার: [২] এই শিক্ষাবিদ বলেন, ১৯৪৮ সালে আমি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। নেত্রকোনায় তখন কোনো কলেজ ছিলো না, আমরা হাই স্কুলের ছাত্ররা স্কুল থেকে বের হয়ে বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিলাম। সাধারণ মানুষ ও ছাত্ররা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেছিলো। নবম-দশম শ্রেণির ছাত্রদের নেতৃত্বে নেত্রকোনার মোক্তারপুর মাঠে একটা সমাবেশ হয়।

[৩] সমাবেশে জিন্নাহ এবং পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়। তখনকার পূর্ব-পাকিস্তানে এমন পরিবেশে কেউ জিন্নাহর বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে শুনে আমাদের কাছে আশ্চর্য লেগেছিলো।

[৪] ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণের খবরটি ২-৩ দিন পরে শুনতে পাই। তখন আমি নেত্রকোনার একটি গ্রামের স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। খবরটি শোনার পর স্কুল থেকে বের হয়ে বসুরহাট বাজারে গিয়ে সাধারণ মানুষকে হরতাল পালন করতে বলি। মানুষ আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে সারাদিন হরতাল পালন করে।

[৫] এরপর আমরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে উঠান বৈঠক করে মানুষকে ভাষা আন্দোলনের বিষয়ে অবহিত করলাম। এমনভাবে সাড়া দিলো যা দেখে আমরা হবাক হয়েছিলাম। কৃষকের ছেলেরাই তখন শহরে লেখাপড়া করতো এবং সেখানে থেকে তারা ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলো। সুতরাং সব দিক থেকেই ভাষা আন্দোলনে গ্রামের কৃষকদের অবদান ছিলো। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত