প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জমি অধিগ্রহণে দাম বাড়ায় গন্ধবপুর শোধনাগার প্রকল্পের ব্যায় বেড়েছে: তাকসিম এ খান

শরীফ শাওন: [২] নারায়ণগঞ্জের গন্ধবপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার সঙ্গে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যায় বেড়েছে জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।

[৩] শনিবার প্রকল্প পরিদর্শনে তিনি বলেন, প্রকল্প পাস হওয়ার সময় জমি অধিগ্রহণে যে পরিমান অর্থ দিতে হতো বর্তমানে তার তিনগুণ দিতে হবে। আউটলাইন ইস্টিমেট হয়েছে ২০১৩ সালে ফলে এ ক্ষেত্রেও ব্যায় বেড়েছে।

[৪] তাকসিম এ খান বলেন, প্রকল্পটি ১০ অক্টোবর ২০১৯ সালের উদ্বোধন হয়েছে। মাস্টারপ্লান হয়েছে ২০১২ সালে, ড্রয়িং- ডিজাইন ও ফান্ডিং ২০১৫-২০১৬ সালে এবং ফান্ড পেয়েছি ২০১৯ সালে। ২০২১ সালে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও দেরি করে কাজ শুরু হওয়ায় ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, কোভিডের ১ বছরে ৩০ শতাংশ কাজ হয়েছে, ফলে আরও দুই বছরে এটা শেষ করা সহজ বিষয় হবে।

[৫] স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, প্রকল্প ব্যায় বাড়া যৌক্তিক হতে হবে। ব্রিজ নির্মাণে ১২ ফিট পর পর পিলার দেওয়া হতো। এতে টেকসইহীনতা এবং জিওলোজিক্যাল চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় পিলার ছাড়া ১০০ মিটারের ঝুলন্ত ব্রিজ নির্মাণ পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কম অর্থে রাস্তা নির্মাণে প্রতি দুই বছর পর পর সংস্কার করা হতো। আর্থিক ক্ষতি রোধে এভন ৫ বছরের জন্য ভালো রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

[৬] তিনি বলেন, সকলের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি যথাসময়ে কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের ইনপুট এবং আউটপুট লাইনের কাজ একসঙ্গে হচ্ছে, ফলে প্রকল্প শেষ হলেই সাপ্লাই শুরু হবে। এমন কোন প্রকল্প হবে না যেখানে, ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হবে, ১০ শতাংশ বাকি থাকার কারনে মানুষ সুফল পাবে না। পদ্মা যশলদিয়া প্রকল্পের কিছু পাইপলাইন উন্নয়নের কাজ চলছে ফলে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

[৭] তাজুল ইসলাম বলেন, এসকল পরিকল্পনা তদারকিতে বুয়েট এবং আমাদের ইঞ্জিনিয়ারদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছি। পরিকল্পনাগুলো যাচাই করে স্থায়ীত্ব বাড়াতে গিয়ে ব্যয় বাড়ছে।

[৮] কর্মকর্তাদের প্রতি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, গাফেলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে অনেক প্রকৌশলীকে বহিস্কার করেছি। অসন্মানি নয়, বরং বাকিদের ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভালো কাজের জন্য তারা পুরস্কারও পাবেন।

[৯] পানির দাম নিয়ে বলেন, ব্রান্ড এলাকায় থাকবেন, সকল সুযোগ ভোগ করবেন আর বিল দিবেন সমান, বিষয়টি আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় না। আয় বেশির কারণে আমি সুপার ট্যাক্স দেই, কম রোজগার থাকলে সে অনুসারে ট্যাক্স দিতে হয়।

[১০] তিনি বলেন, ফিলিপিনে দেখেছি স্থান ভেদে বিদ্যুতের দাম আলাদা, তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে ভেবেছি এবং আমার মতামত জানিয়েছি। ট্যাক্স নির্ধারণে একটি ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত