প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গতি ফিরছে আবাসন খাতে

  • সিঙ্গেল ডিজিটের ঋণ, অপ্রদর্শিত অর্থের বিনিয়োগ সুবিধা পেয়ে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে সুদ ও রেজিস্ট্রেশন খরচ কমিয়ে ৭ শতাংশ নির্ধারণের দাবি করছে রিহ্যাব

ডেস্ক রিপোর্ট: গতি ফিরছে দেশের আবাসন খাতে। ফ্ল্যাট আর প্লটের রেজিস্ট্রেশন খরচ কমে এখন ১০ শতাংশ হয়েছে। এর সঙ্গে আছে সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অঙ্ক সুদের ঋণ সুবিধা। ফলে মধ্যবিত্ত ক্রেতারা এখন ফ্ল্যাট বা প্লটের খোঁজে নেমেছেন। এদিকে বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থের বিনিয়োগ সুবিধা পেয়ে খুশি অনেকেই। তাদের কাছে এখন লাভজনক বিনিয়োগ-গন্তব্য হচ্ছে আবাসন খাত। এমন পরিস্থিতিতে ক্রেতাদের জন্য ব্যাংক ঋণের সুদ ও রেজিস্ট্রেশন খরচ কমিয়ে ৭ শতাংশ নির্ধারণের দাবি করছে দেশের আবাসনশিল্প মালিকদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-রিহ্যাব।

এ প্রসঙ্গে রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল গতকাল বলেন, এখন ক্রেতাদের অনেক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। অপ্রদর্শিত আয়ও বিনিয়োগ হচ্ছে আবাসন খাতে। রেজিস্ট্রেশন খরচ কমিয়ে ১০ শতাংশ করায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়েছে। এটা আরও কমানো দরকার। আগামী জাতীয় বাজেটে রেজিস্ট্রেশন খরচ কমিয়ে ৭ শতাংশ করা উচিত। তিনি আবাসন খাতের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঋণের সুদহার কমিয়ে ৭ শতাংশ করার দাবি জানিয়ে বলেন, আবাসনের ক্রেতাদের ঋণ দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলো এখন ব্যাপক আগ্রহী। সব মিলিয়ে আবাসন খাতে যে গতি ফিরেছে, তা সামগ্রিক অর্থনীতিকেও চাঙা করছে। ফলে আবাসনশিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ বা সহযোগী শিল্প খাত আর ১৮ খাতে বিভক্ত পণ্যভিত্তিক ৪৫৮টি উপখাতও চাঙা হচ্ছে।

রিহ্যাবের সহসভাপতি কামাল মাহমুদ জানিয়েছেন, আবাসনশিল্পে এখন খুবই ভালো সাড়া মিলেছে। যেখানেই রেডি ফ্ল্যাট আছে, সেখানেই ছুটছেন ক্রেতারা। দামি ফ্ল্যাটের চাহিদাও এখন অনেক বেশি। অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ থাকায় অনেকেই সম্পদ হিসেবে জমি ও ফ্ল্যাট কিনছেন। ব্যাংকগুলোতে আমানতের সুদ কমে যাওয়ায় ক্রেতারা লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবে আবাসন খাতকে বেছে নিয়েছেন। এটা অর্থনীতিতে গতিসঞ্চারে বিশাল ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে আবাসন খাতের বার্ষিক বাজার এখন প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা। এ খাতে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৫-১৭ শতাংশ। বছরে চাহিদা ১ লাখ ২০ হাজার ফ্ল্যাটের। আবার প্রবাসী আয় ও অপ্রদর্শিত টাকার মালিকেরা স্থাবর সম্পত্তি বেশি কেনেন। করোনার সময়ে প্রবাসী আয় সেই তুলনায় কমেনি। পাশাপাশি জমি বা ফ্ল্যাট কিনে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে কেনাবেচাও আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। করোনায় আবাসনশিল্পের পণ্যভিত্তিক ৪৫৮ উপখাতে যে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছিল, সেখানেও এখন আশার আলো ফুটেছে। এতে দুই হাজারেরও বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। -বাংলাদেশ প্রতিদিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত