প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা এবং রমজানের কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন

বাশার নূরু: [২] আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আগামী ঈদুল ফিতরের পর শুরু হবে। মার্চে এই নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

[৩] ২১ মার্চের মধ্যে ৭৫২ ইউপিতে ভোট করার আইনি বাধ্যবাধকতা আছে। এপ্রিলের মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে এমন ২০-২৫টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোট রমজানের আগেই হতে পারে।

[৪] নির্বাচন আইন অনুযায়ী, দৈব-দুর্বিপাকজনিত বা অন্য কোনো কারণে নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কিংবা অনধিক ৯০ দিন পর্যন্ত, যা আগে ঘটবে, সংশ্লিষ্ট পরিষদকে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্ষমতা দিতে পারে।

[৫] দেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪ হাজার ৪৮৩টি। ২০১৬ সালে ইউপি সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২১ মার্চের মধ্যে নির্বাচনী সময় শেষ হবে ৭৫২ টির। ৩০ মার্চ সময় শেষ হবে ৬৮৪টির, ২২ এপ্রিল সময় শেষ হবে ৬৮৫টির। ৬ মে সময় শেষ হবে ৭৪৩ টির। ২৭মে সময় শেষ হবে ৭৩৩ এবং ৩ জুন শেষ হবে ৭২৪ ইউপির মেয়াদ।

[৬] ইউপি ভোটের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, ২ মার্চ ভোটার তালিকার সিডি হওয়ার কথা। ওই কাজটা যদি আমরা সঠিকভাবে করতে পারি তাহলে মে মাসে যেগুলোর মেয়াদ শেষ হবে সেগুলোর নির্বাচন হতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশন সভা করে সে সিদ্ধান্ত নেবে। সম্পাদনা: রায়হান রাজীব

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত