প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হাতিরঝিলে স্কুল ছাত্রী বিথিকে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিচার চাইলেন মা

ইসমাঈল ইমু : [২] শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আযোজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা রওশন আরা জানান, আমার মেয়ে ধলপুর কিন্ডার গার্টেন হাইস্কুলে ১০ শ্রেণিতে পড়তো। গতবছর ১৪ আগস্ট বিকেলে আমার মেয়ে মাহমুদা আক্তার বিথি বাসা থেকে বের হয়ে তার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যায়। পরে তাকে অনেকবার ফোন করলেও ধরেনি। এক পর্যায়ে রাসেল নামের এক ছেলে ফোন রিসিভ করে জানায় বিথি এক্সিডেন্ট করেছে। তখন আমরা দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে আমার মেয়ে। তখন তার বন্ধুরা উপস্থিত ছিল। দুর্ঘটনার কারণ জানতে চাইলে রাসেল জানায় মুগদা থেকে রিকশায় আসার পথে সিএনজির ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটেছে।

[৩] পরে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকরা আমার মেয়েকে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে রেফার্ড করে। ১৬ আগস্ট রাত ১টায় সেখানকার চিকিৎসকরা আমার মেয়েকে মৃত ঘোষণা করেন। দূর্ঘটনার বিষয়টি সন্দেহ হলে বিথির বন্ধু চৈতিকে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায়, তারা মোটারসাইকেলে হাতিরঝিলে ঘুরতে গিয়েছিল। নাইম নামের এক ছেলের মোটরসাইকলে উঠেছিল বিথি। এক পর্যায়ে বাইক থেকে তাকে ফেলে দেয় নাইম। এতে গুরুতর আহত হয় বিথি। ঘটনাস্থল থেকে বিথিকে চৈতি ও রাসেল ঢাকা মেডিকেলে নিলেও নাইম সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

[৪] এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করে এজাহারে। কিন্তু এটা হত্যাকান্ড। বারবার পুলিশকে বলা হলেও তারা নিজেদের ইচ্ছায় মামলার এজাহার তৈরি করেছে।

[৫] ওই তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও জামিনে বেরিয়ে মামলা তুলে নিতে আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। পরে ১০ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। বিথি হত্যাকারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আইন প্রয়োগকারি সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নিহতের খালা ঝর্না আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত