প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাঘারপাড়া পৌর নির্বাচনে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা

আজিজুল ইসলাম: [২] যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভায় আপন দু’ভাই পরস্পরের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই নিয়ে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই দুই ভাই অবশ্য এক দফা করে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু রেষারেষির কারণে দু’দফা পরাজিতও হয়েছেন। তবে, এবার কেউ কাউকে ছাড় না দিয়ে দুইজনই লড়ছেন।

[২] খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যশোরের বাঘারপাড়া পৌরসভা প্রথম নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন মাস্টার সামছুর রহমান। পরের নির্বাচনে তিনি নিজের ভাইকে ওই ওয়ার্ডে ছাড় দেন।

[৩] ২০১১ সালের নির্বাচনে তার মেঝভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক মিজানুুর রহমান কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে ফের প্রার্থী হতে চান সামছুর রহমান। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান নিজের ভাই। একপর্যায়ে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২১ সালে সামছুর রহমানকে প্রার্থী করার শর্তে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান মিজানুর।

[৪] এবার নির্বাচনে কোনো সমঝোতা না হওয়ায় দুই ভাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা ছাড়াও এ ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরো দু’জন। এরমধ্যে মিজানুর রহমান টেবিল ল্যাম্প ও মাস্টার সামছুর রহমান পানির বোতল মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

[৫] মাস্টার সামছুর রহমান বলেন, ‘২০০৪ সালের প্রথম নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করে জয়ী হই। এরপর মেঝভাইকে তিনবার সুযোগ দিয়েছি। তিনি মাত্র একবার নির্বাচিত হন। পারিবারিক সিদ্ধান্ত ছিল, এবার আমি নির্বাচন করবো। কিন্তু মেঝভাই নিজের ইচ্ছামতো প্রার্থী হয়েছেন। বাধ্য হয়ে আমিও প্রার্থী হয়েছি। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করবে বলে আশাবাদী।’

[৬] মিজানুর রহমান বলেন, বাড়ির সবাই তাকে (সামছুর) ভোট করতে নিষেধ করার পরও সে প্রার্থী হয়েছে। তার কোনো ভোট নেই। আমার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে অন্য প্রার্থীর। আমিই বিজয়ী হবো’।

[৭] তারা দুই ভাই ছাড়াও এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আরও দুই জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর শরিফুলইসলাম শরিফ। তার প্রতীক ডালিম এবং উটপাখি প্রতীকে সাংবাদিক ইকবাল কবির।

[৮] উল্লেখ্য, বাঘারপাড়া পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৭ হাজার ৪শ’ ৯২ জন। এর মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছে ৮শ’ ৪১ জন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি এ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সম্পাদনা: মোমেন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত