প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চালের বাজারমূল্যে ঊর্ধ্বগতি রোধে ভারত থেকে এক লাখ ১১ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন চাল আমদানি করেছে সরকার

আনিস তপন: [২] বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে এসব চাল আমদানি করা হয়েছে।

[৩] এতে বলা হয়, গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোমরা, দর্শনা, বেনাপোল, সোনা মসজিদ, হিলি, বুড়িমারি, বাংলাবান্দা, শেওলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থল বন্দর দিয়ে বেসরকারিভাবে মোট ৫৬ হাজার ৩ ৯১ মেট্রিক টন চাল দেশে পৌঁছেছে। সরকারিভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আওতায় ৫৫ হাজার ১২৯ মেট্রিকটন চাল দেশে পৌঁছেছে।

[৪] আমদানির শর্তে বলা হয়েছে, বরাদ্দপত্র ইস্যুর সাতদিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে। এ সংক্রান্ত তথ্য তাৎক্ষণিক ই-মেইলে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে জানানোর কথা বলা হয়েছে।

[৫] এক থেকে পাঁচ হাজার মে.টন বরাদ্দ পাওয়া ব্যবসায়ীদের ঋণপত্র খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০ দিনের মধ্যে বাকি চাল বাজারজাত করতে হবে।

[৬] যেসব প্রতিষ্ঠানকে পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার টন পর্যন্ত আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে তাদেরকে ঋণপত্র খোলার ১৫ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ৩০ দিনের মধ্যে বাকি ৫০ শতাংশ চাল বাজারজাত করতে হবে। তাছাড়া বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) ইস্যু করা যাবে না বলেও শর্ত দেওয়া হয়েছে।

[৭] পরবর্তীতে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ঋণপত্র খোলার সময়সীমা প্রথমে ৩১ জানুয়ারি, পরে আবার তা ১৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত বাড়িয়ে নির্দেশনা জারি করে সরকার।

[৮] এছাড়াও খাদ্যশস্যের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রবণতা রোধ, নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীকে সহায়তা এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে বেসরকারি পর্যায়ে চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত