শিরোনাম
◈ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ প্যারোল কী, কারা পান এবং কীভাবে—বাংলাদেশের আইন কী বলে ◈ ভোটকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও ভোট গণনা করা যাবে না: ইসির পরিপত্র জারি ◈ ক্ষমতায় গিয়ে কথা না রাখলে জবাব দিতে হবে: তারেক রহমান ◈ ইতিহাসের সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম ◈ ‘ভয়াবহ দুর্নীতি’ আদানি চুক্তিতে: বাতিলের জন্য যেতে হবে আন্তর্জাতিক আদালতে ◈ সিডনিকে সিক্সার্সকে হা‌রি‌য়ে বিগ ব্যাশে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জয় কর‌লো স্করচার্স ◈ দেশের মানুষের জন্যই বিএনপির রাজনীতি: তারেক রহমান ◈ ভারত থেকে ৮ ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক প্রবেশ করল দেশে ◈ চীনের অনুদানে যে কারণে নীলফামারীতে হবে ১০ তলা হাসপাতাল, আরও যা যা থাকছে

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিজিটাল দুনিয়ার মানবাধিকার বিষয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের শ্বেতপত্র প্রকাশ করলো হার্ভার্ড ল স্কুল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] হাভার্ড ল স্কুলের সাইবার’ল ক্লিনিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্লিনিক যৌথভাবে ৩টি মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে এই শ্বেতপত্র প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি বলছে, দুই দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে কিছু পরিসরে বিধিনিষেধ আছে। তবে তারা বলছে, পুরো মিয়ানমার জুড়ে ইন্টারনেট সেবা না থাকায় বাংলাদেশের তুলনায় সেখানে কাজ করতে অসুবিধা হয়।

[৩] সাইবার’ল ক্লিনিকের অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর জেসিকা ফেসেল্ড বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের বিশেষত্ব হলো তা সীমান্তের দুই দিকেই নজর রাখছে। আমরা বলবো, দুদিকেই জনগনের কণ্ঠ রোধ করার ঘটনা ঘটছে। মিয়ানমারে এমনকি এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে গণহত্যাও।’

[৪] তবে এই শ্বেতপত্রে যে ১৬ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাতে কোনও বাংলাদেশির বক্তব্য নেই। মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ ছাড়াও এতে আছে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গারা। তাই এতে মূলত শিবিরে ইন্টারনেট বন্ধের চিত্রই উঠে এসেছে। তবে রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেশি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়