শিরোনাম
◈ অবৈধভাবে মানব পাচারের অভিযোগে প্রথমবার বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞা! ◈ মার্কিন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইরান, ট্রাম্প বলছেন ‘যুদ্ধ বেশিদিন চলবে না’ ◈ অনিশ্চয়তায় বিজয়ের সরকার গঠন: তামিলনাড়ুতে পুনর্নির্বাচনের দাবি জোহো প্রতিষ্ঠাতা ভেম্বুর ◈ বিপুল অ‌ঙ্কের বকেয়া আদায়ে ফ্রাঞ্চাইজি‌দের আইনি নো‌টিস পাঠা‌লো পিসিবি ◈ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফরে তিস্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব, কী আছে মহাপরিকল্পনায় ◈ কোথায় হবে আইপিএলের ফাইনাল? সিদ্ধান্তহীনতায় বি‌সি‌সিআই ◈ দেশের ১৮ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ◈ নিজেই গাড়ি চালিয়ে অনুষ্ঠানে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ভারতে তেল পরিশোধনের পরিকল্পনা সরকারের ◈ নিজের সহকারীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য শুভেন্দুর

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিজিটাল দুনিয়ার মানবাধিকার বিষয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের শ্বেতপত্র প্রকাশ করলো হার্ভার্ড ল স্কুল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] হাভার্ড ল স্কুলের সাইবার’ল ক্লিনিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্লিনিক যৌথভাবে ৩টি মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে এই শ্বেতপত্র প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি বলছে, দুই দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে কিছু পরিসরে বিধিনিষেধ আছে। তবে তারা বলছে, পুরো মিয়ানমার জুড়ে ইন্টারনেট সেবা না থাকায় বাংলাদেশের তুলনায় সেখানে কাজ করতে অসুবিধা হয়।

[৩] সাইবার’ল ক্লিনিকের অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর জেসিকা ফেসেল্ড বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের বিশেষত্ব হলো তা সীমান্তের দুই দিকেই নজর রাখছে। আমরা বলবো, দুদিকেই জনগনের কণ্ঠ রোধ করার ঘটনা ঘটছে। মিয়ানমারে এমনকি এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে গণহত্যাও।’

[৪] তবে এই শ্বেতপত্রে যে ১৬ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাতে কোনও বাংলাদেশির বক্তব্য নেই। মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ ছাড়াও এতে আছে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গারা। তাই এতে মূলত শিবিরে ইন্টারনেট বন্ধের চিত্রই উঠে এসেছে। তবে রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেশি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়