শিরোনাম
◈ লিফটের ফাঁকা স্থানে শিশুর মরদেহ, বিচার চেয়ে হাতিরঝিল থানা ঘেরাও ◈ গ্যাসে স্টেশনে লিকেজ: কক্সবাজারে বিস্ফোরণে আহত ১৫, এলাকায় সতর্কতা (ভিডিও) ◈ সৌদি থেকে নারী ফিরলেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে, অন্যজন মানসিক ভারসাম্যহীন ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের সি‌রি‌জের প্রথম টেস্ট ১৩ আগস্ট ◈ রাষ্ট্রপতিকে সংসদের প্রথম অধিবেশনে অভিসংশন করতে হবে, এরপর গণহত্যার দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম ◈ পাসপোর্টের 'দালাল' নিয়ে নতুন সিদ্ধান্তে সমালোচনা কেন ◈ দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর, ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার ◈ ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটিতে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী যারা ◈ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এবার পাঁচ কর্মকর্তা বদলি ◈ দেশে আবারও মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিজিটাল দুনিয়ার মানবাধিকার বিষয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের শ্বেতপত্র প্রকাশ করলো হার্ভার্ড ল স্কুল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] হাভার্ড ল স্কুলের সাইবার’ল ক্লিনিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্লিনিক যৌথভাবে ৩টি মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে এই শ্বেতপত্র প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি বলছে, দুই দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে কিছু পরিসরে বিধিনিষেধ আছে। তবে তারা বলছে, পুরো মিয়ানমার জুড়ে ইন্টারনেট সেবা না থাকায় বাংলাদেশের তুলনায় সেখানে কাজ করতে অসুবিধা হয়।

[৩] সাইবার’ল ক্লিনিকের অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর জেসিকা ফেসেল্ড বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের বিশেষত্ব হলো তা সীমান্তের দুই দিকেই নজর রাখছে। আমরা বলবো, দুদিকেই জনগনের কণ্ঠ রোধ করার ঘটনা ঘটছে। মিয়ানমারে এমনকি এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে গণহত্যাও।’

[৪] তবে এই শ্বেতপত্রে যে ১৬ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাতে কোনও বাংলাদেশির বক্তব্য নেই। মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ ছাড়াও এতে আছে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গারা। তাই এতে মূলত শিবিরে ইন্টারনেট বন্ধের চিত্রই উঠে এসেছে। তবে রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেশি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়