শিরোনাম
◈ নারী প্রশ্ন, ভোটার মাইগ্রেশন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নির্বাচনি রাজনীতিতে উত্তাপ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক কর্মবিরতির পর কড়া ব্যবস্থা, সরাসরি বুকিং ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, বিএনপিপন্থী চার নেতা বদলি ◈ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে উপমার লাশ, হিসাব মিলছে না কারও ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করলো পাকিস্তান ◈ তুরস্ক ভিসা এখন ঢাকায়: কোথায়, কখন, কত ফি—সব তথ্য এক নজরে ◈ জুলাই সনদে গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংস্কার, ‘না’ জিতলে কী হবে? ◈ যুক্তরাষ্ট্র থেকে মোংলা বন্দরে এলো ৫৭ হাজার টন গম ◈ মি‌ডিয়ার বিরু‌দ্ধে এমন সিদ্ধান্ত কে‌নো? বিসিবির কোন নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে, জানতে চান সাংবাদিকেরা  ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্বাচনের ৩ দিন আগে শুল্ক চুক্তি করবে অন্তর্বর্তী সরকার ◈ রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিজিটাল দুনিয়ার মানবাধিকার বিষয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের শ্বেতপত্র প্রকাশ করলো হার্ভার্ড ল স্কুল

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] হাভার্ড ল স্কুলের সাইবার’ল ক্লিনিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্লিনিক যৌথভাবে ৩টি মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে এই শ্বেতপত্র প্রকাশ করে। প্রতিবেদনটি বলছে, দুই দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে কিছু পরিসরে বিধিনিষেধ আছে। তবে তারা বলছে, পুরো মিয়ানমার জুড়ে ইন্টারনেট সেবা না থাকায় বাংলাদেশের তুলনায় সেখানে কাজ করতে অসুবিধা হয়।

[৩] সাইবার’ল ক্লিনিকের অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর জেসিকা ফেসেল্ড বলেন, ‘এই প্রতিবেদনের বিশেষত্ব হলো তা সীমান্তের দুই দিকেই নজর রাখছে। আমরা বলবো, দুদিকেই জনগনের কণ্ঠ রোধ করার ঘটনা ঘটছে। মিয়ানমারে এমনকি এর মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে গণহত্যাও।’

[৪] তবে এই শ্বেতপত্রে যে ১৬ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাতে কোনও বাংলাদেশির বক্তব্য নেই। মিয়ানমারের সাধারণ মানুষ ছাড়াও এতে আছে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গারা। তাই এতে মূলত শিবিরে ইন্টারনেট বন্ধের চিত্রই উঠে এসেছে। তবে রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারের চেয়ে বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেশি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়