প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পাপুলকাণ্ডে অন্যান্য অভিযুক্ত মাফিয়াদের আইনজীবীরাই লড়ছেন তার পক্ষে

তরিকুল ইসলাম: [২] বাংলাদেশকে পাপুল সম্পর্কিত কোনো তথ্যই দিচ্ছেনা কুয়েত।

[৩] গ্রীণ পাসপোর্টে দেশটিতে আটক থাকায় সংসদ সদস্য হিসেবে পাচ্ছেন না বাড়তি সুবিধা।

[৪] তৎকালীন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পাপুলের রক্ষাকবজ।

[৫] ঘুষ লেনদেন মামলার রায় হলেও মানব ও অর্থপাচারের দুটি রায় অপেক্ষামান।

[৬] কূটনৈতিক সূত্র বলছে, কুয়েতের জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ক্রিমিনাল এভিডেন্স থেকে পাপুলকে গুড কন্ডাক্ট সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন কুয়েতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া তৎকালীন রাষ্ট্রদূত আবুল কালাম আজাদ।

[৭] এমনকি পাপুলের পক্ষে সাফাই গেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাপুলের বিরুদ্ধে প্রকাশিত খবরগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রনোদিত বলে দাবি করেছিলেন।

[৮] দেদার ব্যবসা, টাকা রোজগার ও চলাফেরা স্বাচ্ছন্দ রাখতে কূটনৈতিক পাসপোর্ট নেননি কুয়েতে চার বছরের কারাদণ্ড প্রাপ্ত লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল।

[৯] একাধিক কূটনৈতিক সূত্র তার কুয়েতের নাগরিকত্ব না থাকার বিষয়টিও মোটামুটি নিশ্চিত করেছেন।

[১০] দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ দূতাবাসের একাধিক কূটনৈতিক পত্রের কোনো জবাব না দেওয়ায় পাপুল সম্পর্কে তথ্য পাওয়াটা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

[১১] কুয়েতের এক আমলাসহ তিনজনকে ৫৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন এই সাংসদ।

[১২] পাপুলকাণ্ডে দেশটির সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হয়। গেফতার হন কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি ও জনশক্তি বিভাগের পদস্থ এক কমকর্তা।

[১৩] কুয়েতের দুই এমপি এছাড়াও ৭ জন সিনিয়র কর্মকর্তা এবং ৩ টি সংস্থায় কর্মরত অন্তত ২১ জন ফেঁসে গেছেন।

[১৪] কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনে পাপুলসহ নয়জনের বিরুদ্ধে বিচার চলছে। এর মধ্যে তার প্রতিষ্ঠানের এক হিসাবরক্ষক রয়েছেন। পাপুলসহ কারাগারে আছেন মোট ছয়জন। সম্পাদনা: ফরহাদ বিন নূর

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত