প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশে একধরনের পিঁপড়া বিশ্বের অনেক দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে জাহাজের মাধ্যমে: হার্ভার্ড গবেষক ওয়ারিং ট্রাইবল

দেবদুলাল মুন্না: [২] হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল নিউজ সাইট হার্ভার্ড গেজেটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশে এসে ওই পিঁপড়ার খোঁজ পান ওয়ারিং। তিনি জানান, প্রজাতিটির কোনো রানি নেই। শ্রমিক পিঁপড়ার ভ্রূণ গর্ভনিষেক ছাড়াই বেড়ে উঠলে এরা জন্ম নেয়। ২ মিলিমিটার লম্বা এই পিঁপড়া দেখতে ‘গাট্টাগোট্টা’। চোখহীন। হুল সমৃদ্ধ। গার্ডিয়ান

[৩] ওয়ারিং বলেন, আমরা প্রজাতিটির নিকটতম বিবর্তনীয় আত্মীয় খুঁজতে চেয়েছিলাম, ল্যাবে এ পিঁপড়াগুলোর জিন আবিষ্কার করে দেখতে পান তাদের সাতটি বংশ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি ইতিমধ্যে পৃথিবীর অন্য অঞ্চলে পাওয়া গেছে। বাকি পাঁচটি কোথাও দেখা যায়নি। আরও নানাভাবে গবেষণার পর তারা নিশ্চিত হন, এগুলোর জন্ম বাংলাদেশেই।

[৪] ওয়ারিং তার সহকর্মী শন ম্যাকেনজিকে নিয়ে এই পিঁপড়ার সন্ধানে বের হন। প্রফেসর ড্যানিয়েল জে.সি. ক্রোনাউরের ল্যাবে ম্যাকেনজির সঙ্গে কাজ করার সময় তারা ভারতে প্রায় একই ধরনের একটি পিঁপড়া শনাক্ত করেন। এটিকে তারা প্রথমে ক্লোনাল রাইডার ভেবেছিলেন। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন প্রজাতিটি আলাদা। তখন তারা ল্যাবে পাওয়া জেনেটিক ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ধারণা করেন ১ হাজার ২৪০ মাইলের কাছাকাছি এদের আসল প্রজাতি থাকতে পারে।

[৫] পরে বাংলাদেশে আসেন গত জুলাইয়ে। এর আগেও ২০১৪ সালে জার্মানীর একটি এনজিওর কাজে তিনি এসেছিলেন। ওয়ারিং মংলা ও চট্রগ্রামের কুতুবদিয়ার কয়েকটি গ্রামে এ পিঁপড়াগুলোর অস্তিত্ব দেখতে পান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত