প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলচ্চিত্র নির্মাণ অনেকটাই চলে গেছে এফডিসির বাইরে

ইমরুল শাহেদ: দেশে কোভিড মহামারী চলমান থাকা সত্তে¡ও সাংস্কৃতিক কর্মকাÐ থেমে থাকেনি। শিল্পকলা একাডেমির মূল ফটক এখনো খোলা না হলেও এফডিসির ফটক কখনো বন্ধ ছিল না। এমন কি এফডিসি শুক্রবারও খোলা থাকে। তাহলে শিল্পকলা একাডেমির ফটক খুলতে সমস্যা কোথায়। এ প্রশ্ন অনেক গ্রæপ থিয়েটারকর্মীরই। এখন সুরক্ষা ভ্যাকসিন চলে আসায় মানুষের চলাফেরার ক্ষেত্রে আগে যে সংযত ভাব ছিল, এখন সেটাও নেই।

এফডিসিতে প্রতিদিন নির্মাতা ও কলাকুশলীরা নিয়মিতই যাতায়াত করেন। পরিচালক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, ৫ জুলাই থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত পরিচালক সমিতিতে ৭০টি ছবি নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু ছবির নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। কিছু ছবির কাজ হয়তো শেষ হবে না। আর কিছু ছবির কাজ এখনো শুরু হয়নি। সেন্সর সূত্রে জানা গেছে, সেন্সর বোর্ডে কোনো ছবি জমা নেই। প্রদর্শকরা বলছেন, প্রদর্শনযোগ্য ছবির অভাবে সিনেমা হল বন্ধ হওয়া অব্যাহত আছে।

প্রদর্শক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস অনুমান করে বলেছেন, গত বছর মার্চ মাসে সিনেমা হল বন্ধ হওয়া থেকে খোলা যাওয়া পর্যন্ত সময়ে লোকসান হয়েছে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা। তাহলে এই বিপুল সংখ্যক ছবি কোথায় এবং কিভাবে মুক্তি পাবে। প্রযোজক পরিবেশক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, মুক্তির জন্য আবেদন তেমন একটা নেই। এফডিসিতেও কোনো ছবির শুটিং নেই। অথচ এই প্রতিষ্ঠানটি চলচ্চিত্র নির্মাণের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত। সমিতি কমিটির কার্যালয় থাকায় অনেকেই এখানে আসেন এবং গণসংযোগের কাজ সারেন। এফডিসিতে কাজ নেই কেন জানতে চাওয়া হলে একজন নির্মাতা বলেন, ‘এফডিসির সব কিছুর ভাড়া বেশি। যন্ত্রপাতি থেকে সবকিছুর জন্য অতিরিক্ত টাকা গুণতে হয়। এজন্য আমরা বাইরের যন্ত্রপাতি দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করি।’ সুতরাং পরিচালক সমিতিতে ছবির নাম নথিভুক্ত হলেও ছবি নির্মাণ হচ্ছে বাইরে থেকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত