প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলমান শৈত্যপ্রবাহে স্থবির কুড়িগ্রাম

ডেস্ক রিপোর্ট: কুড়িগ্রামে শীতের দাপটে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। আজ সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কালের কণ্ঠ

ঘন কূয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডায় কাবু শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ সব বয়সী মানুষ। খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছে সবচেয়ে কষ্টে। বিশেষ করে কৃষি শ্রমিকরা বরফ ঠাণ্ডা পানিতে বোরো রোপণের কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ মারাও যাচ্ছে।

গতকাল রবিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজারহাট উপজেলার কেন্দ্র গ্রামে দিনমজুর আজাদ মিয়া (৪৮) প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় চারা তুলতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয় ইউপি সদস্য বিপ্লব আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে উপজেলা প্রশাসনের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টানা ঘন কূয়াশার কারণে আলু ক্ষেতে দেখা দিয়েছে ছত্রাকের আক্রমণ। এতে আলু ক্ষেতের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে কুড়িগ্রামের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক জানিয়েছেন, আলু চাষীরা আগে থেকেই ঘন ঘন ছত্রাকনাশক ওষুধ ছিটানোর কারণে ক্ষতির আশঙ্কা কম।

এদিকে, শীতের কারণে রোগ ব্যাধির প্রকোপও বেড়ে গেছে। হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর ভিড়।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. পুলক কুমার সরকার বলেন, ‘এই হাসপাতালে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ১২টি শয্যা থাকলেও শয্যা সংখ্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ডায়রিয়ায় গড়ে ৫-৬ জন রোগী থাকলেও এখন ২৬-২৭ জন রোগী এবং নিউমোনিয়ায় ৩-৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন থাকলেও ৮-১০টি শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিক খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, চলমান শৈত্যপ্রবাহ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত