প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিএনপি হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতির উত্তরাধিকার জন্মলগ্ন থেকেই বহন করে চলেছে: ওবায়দুল কাদের

সমীরণ রায়: [২] আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবে। কিন্তু বিএনপি পরাজয় মেনে নিতে চায় না। তাই ১৯৯৪ সালের ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরের দিন বিএনপির পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল আজিজ প্রতিশোধ নিতে সশস্ত্র হামলা চালায়। নৃশংস ব্রাশ ফায়ারে সেদিন লালবাগের মাটি রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। সেদিনের বিজয় আনন্দ বিষন্ন বেদনায় রূপ নেয়। যাতে ৭জন আওয়ামী লীগের নেতা প্রাণ হারান।

[৩] তিনি বলেন, বিএনপির অপরাজনীতি শুধু ১৯৯৪ সালেই নয়, ২০০১ সালেও তারা ক্ষমতায় এসে ২১ হাজার নেতাকর্মীর রক্তে রঞ্জিত করেছিল বাংলার জনপদ। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যার রাজনীতির ধারাবাহিকতা বহন করে চলছে বিএনপি। উগ্র সাম্প্রদায়িকতাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে বিএনপি এখন বাংলাদেশের মেরুদণ্ডকে আঘাত হানতে চায়। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে রুখে দিতে প্রস্তুত বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

[৪] সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, পৌরসভা নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপির অপরাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে বলেই তাদের এমন পরাজয়। অপরদিকে শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতির প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশই হচ্ছে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের নিরঙ্কুশ বিজয়।

[৫] তিনি আরও বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে। অতীতে তাদের নেতিবাচক রাজনীতির কারণে জনগণ তাদের আর বিশ্বাস করে না। বিএনপি নির্বাচনে পরাজিত হয়ে শুধু নির্বাচন ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না। তারা প্রতিহিংসার আগুন জ্বালিয়ে দেয়। বিএনপির অভিযোগ সেখানেই, যেখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে।

[৬] রোববার রাজধানীর আজিমপুরে সেভেন মার্ডার দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তার বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত