প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আগামীকাল বাংলাদেশের তিন সাবেক রাষ্ট্রপতির জন্মদিন

দেবদুলাল মুন্না: [২] সাহাবুদ্দিন আহমেদ ও ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে ছিল প্রশ্ন [৩] এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন গণবিক্ষোভে।

[৪] এদের মেয়াদকাল নিয়ে এমন মতামত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ,অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, পুলিশের সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক ও আসিফ নজরুল। ১৯৩০ সালে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ জন্মগ্রহণ করেন। পরের বছর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের জন্ম।

[৫] সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল, বাংলাদেশ পুলিশ এ কে এম শহীদুল হক কালের কন্ঠকে বলেন,১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতা ছাড়ার পর তিন জোটের আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হলে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রæয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু নির্বাচনকে দেশি বিদেশি পর্যবেক্ষকও সংশ্লিষ্টরা নিরপেক্ষ বললেও আওয়ামী লীগ সূ² কারচুপির অভিযোগ তোলে।

[৬] এইচ টি ইমাম বিবিসিকে বলেন, রাষ্ট্রপতি এবং সরকারের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ থাকলে সেটা দেশ পরিচালনায় প্রভাব পড়ে। সাহাবুদ্দিন আহমদকে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগই রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিল। ওই সময়টায় আমরা দেখেছি, এটি (প্রেসিডেন্ট পদটি) দলের বাইরে গেলে অসুবিধা হয়।

[৭] অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী মনে করেন,যেহেতু অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির নৈতিক অবস্থান নেয়ার সুযোগ আছে, সেকারণে এই পদে নির্বাচনের ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীনরা দলের প্রতি অনুগত ব্যক্তির বাইরে বেরুতে পারছেনা।বি চৌধুরীকে বিএনপির সংসদ সদস্যদের অভিশংসনের মুখে অধ্যাপক চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি পদ হারাতে হয়েছিল।

[৮] আসিফ নজরুল বলেন, আমরা এ প্রসঙ্গে ২০০৭ সালে তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অভিজ্ঞতা স্মরণ করতে পারি। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন একজন অরাজনৈতিক, কিন্তু বিএনপির মনোনীত রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি বিএনপির কথা অনুসারে চলতেন বলে বাকি উপদেষ্টারা নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় হওয়া সত্তে¡ও সেই সরকার নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হচ্ছিল। একপর্যায়ে সেই সরকার ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ একজন ব্যক্তিকে প্রধান করে নির্বাচনকালীন সরকার পুনর্গঠন করতে হয়েছিল।

 

 

 

 

 

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত