প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমাদের শৈশব কৈশোরের সাত মসজিদ, মাত্র চার দশক আগের মোহাম্মদপুর!

এস এম মাইন আহমেদ, ফেসবুক থেকে, আগে পরে কোন এক সময়ে সাত মসজিদের পিছনের দেওয়ালের ঐপাশে ভাইয়ারা সাঁতার কাটার সময় ভাইয়া স্রোতের টানে ভেসে চলে যাচ্ছিল। সম্ভবত টুটুল ভাই বা লাল্টু ভাই বিষয়টা লক্ষ্য করে ঝাঁপ দিয়ে গিয়ে ভাইয়াকে উদ্ধার করে।

সেই ভাইয়াই আমাকে আবার ফিজিক্যাল কলেজ সুইমিংপুলে ডুবা থেকে বাঁচিয়েছিল, সে আরেক মজার গল্প! মোহাম্মদপুর কাজী নজরুল ইসলাম সড়কের ডি টাইপ কলোনীর ছেলেমেয়েদের বেড়ে উঠার গল্প!

ফেসবুকে এই পোস্টটা দেখে বেশ কয়েকজন আক্ষেপের সঙ্গে মন্তব্য করেছেন। তার কয়েকটি:

  • এটা সত্তরের দশকের ছবি? অসাধারণ!
    উন্নয়ণের চাপে কী শহরটাকে কী করে ফেলল এরা! 😢
  • মোহাম্মদপুরের পশ্চিম দিকের জলমগ্ন এলাকার দৃশ্য চোখের সামনে ভাসছে।
  • Darun !!! koto sriti Abba r sate berate jetam mone pore chokh a Pani eshe gelo !!!
  • আহারে কি সময় ও পরিবর্তন..
    মঈন ভাই,
    আমার পুরো শৈশবটা কেটেছে। আমার ভীষণ খারাপ লাগে ছবিটা দেখলে।কেন খারাপ লাগে – আমি বুঝতে পারি না।
    এই মাঠটাতে আমি দৌড় শিখেছি। এর সামনেই ছিলো – বাবার অফিস। এর ঠিক ৩০০ মিটার দক্ষিণে আমাদের নিজ বাড়ি,যা রাস্তায় নিয়ে গেছে।
    ছবিটা পোস্ট দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
    তোর ছবিটা বহুদূরে টেনে নিয়ে গেলো। আমি বছর তিনেক আগে ইচ্ছা করেই হেঁটে হেঁটে আসছি ওদিক দিয়ে। একেবারে মসজিদের দোর গোড়ায় পৌঁছানোর আগে বুঝতেই পারিনি এটাই সেই আমদের সাত মসজিদ। বুকের ভেতরটা খা খা করে উঠেছিলো, চল্লিশ বছর পর দেখে। কষ্ট ছাড়া আর কিছু মিলেনি দেখে।
  • ষাটের দশকে বর্ষায় অনেক সাঁতার কেটেছি এখানে।
    Yes, how beautiful Dhaka (Dacca) was in those days!
  • আমি ১৯৭৪ সালের কোন একদিন ভোর বেলায় ওয়াইজঘাটে বুড়িগঙ্গায় গোসল করেছি। খুব টলটলে পানি ছিল। এখন বুড়িগঙ্গার পানিতে গন্ধ বের হয়! ঢাকার সেই নদী আর পানি আমরা হারিয়েছি। খুব সুন্দর লাগল দোস্ত তোমার এই ছবি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত