প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গৌতম চক্রবর্তী : ভারতে কৃষক আন্দোলনে সব থেকে বেশি চোখে পড়েছে তেরঙ্গা

গৌতম চক্রবর্তী : ভারতে কৃষক আন্দোলনে সব থেকে বেশি চোখে পড়েছে তেরঙ্গা। হ্যাঁ, ওটা আমার পতাকা, আমাদের পতাকা। ১৩০ কোটির আবেগ। ওটা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। দুনিয়ার যেকোনো পতাকার থেকে ওটা দেশের ১৩০ কোটি মানুষের কাছে সবার উপরে। দল ধর্ম জাতি নির্বিশেষে। যারা চিল্লাচ্ছে জাতীয় পতাকার অপমান, তারা নিজেরাও জানে এটা। কিন্তু বলতে হবে, উপায় নেই। মানুষের জীবিকা নেই, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ঊর্ধমুখী। সরকার কয়েকজন ব্যবসায়ীর স্বার্থ ছাড়া বিশেষ কিছুই দেখছে না। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে চীন, পাকিস্তান আর মুসলমান ছাড়া অন্য ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না। ফলে ‘দেশদ্রোহী’ ট্যাগ ছাড়া তাদের মুখ বাঁচানোর আর কোনো রাস্তা নেই।
সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন মানে দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন, বিগত বেশ কিছু বছরে এটাই মোটামুটি সরকারি বক্তব্য। তাদের তাবেদারদের বক্তব্য আরও মজাদার। আম্বানি আদানিদের বিরুদ্ধে বললেই ভক্তরা হেব্বি রেগে যাচ্ছে, দুই কদম এগিয়ে দেশদ্রোহী ট্যাগ দিচ্ছে। আমি তাদের দোষ দিই না। সরকার যখন নিজেকে তাদের সমার্থক প্রমাণ করেই দিয়েছে, তখন ভক্তরা নিরুপায়। কিন্তু এই রঙের টেক্কা বার বার ব্যবহার করলে পাবলিক খাবে তো? দেশ সবার আবেগের জায়গা। জাতি, ধর্ম, বর্ণ রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সব মানুষের। নানা উপায়ে সেটা কাজে লাগানোর লিমিট ক্রস করে যাচ্ছে।

রাখাল বালকের মতো বারবার ‘পালে বাঘ পড়েছে বাঘ পড়েছে’ বলে চিল্লালে সত্যিই পালে বাঘ পড়ার পর মানুষ বিশ^াস করবে না। তারপর সেই ঘটনার দায় কিন্তু রাখাল বালককেই নিতে হবে। রাখাল বালকের টাকা-পয়সার অভাব নেই, তাদের না-হয় পালানোর জায়গাও আছে। কিন্তু ভক্তদের কী হবে? তাদের তখন কে বাঁচাবে? ছাগলের তৃতীয় ছানা হওয়ার আগে চোখ থেকে চশমা নামিয়ে দেখুন, ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত