প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চলতি মাসেই সফট লোন পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

আব্দুল্লাহ নুর : [২] জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা চলতি মাসেই ইউজিসির সুদমুক্ত ঋন পাবেন বলে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী নাসির উদ্দীন।

[৩] এসময় তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত লোনের জন্য বিভিন্ন বিভাগ থেকে যাদের চূড়ান্ত তালিকা পাঠানো হয়েছে, তাদেরকে এ মাসের মধ্যেই বিভাগে চেক পাঠিয়ে দেয়া হবে। আর যারা এখনো আবেদন করেনি তারা আবেদন করলে তাদের চেক পরবর্তীতে পাঠানো হবে।’

[৪] প্রসঙ্গত গত বছরের ৪ঠা নভেম্বর এক সভায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে মোবাইল কিনতে দেশের ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪১ হাজার ৫০১ জন অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বিনা সুদে আট হাজার টাকা করে ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠানো আবেদনের প্রেক্ষিতে ইউজিসি ৩০০৬ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

[৫] বিশ্ববিদ্যালরে অর্থ ও হিসাব দপ্তর থেকে জানা যায়, লোন প্রদানের জন্য চূড়ান্ত আবেদন চাওয়া হলেও সাড়া কম। এখন পর্যন্ত ২৪টি বিভাগ থেকে প্রায় ৫০০ জনের মত শিক্ষার্থী লোন নিতে আবেদন করেছে। লোনের জন্য শিক্ষার্থীদের আবেদনের সাড়া কমের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হবে।

[৬] এদিকে গত ২৪শে ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আগামী ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে সফট লোনের অর্থ প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয় ২৭শে জানুয়ারির মধ্যে ডিভাইস কেনার ভাউচার বিভাগীয় চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে। পরে এই বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে এক ধরনের ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন বিভাগ ও শিক্ষার্থীরা মনে করেন সফট লোনের টাকা পাওয়ার আগেই ডিভাইস কেনার ভাউচার বিভাগে জমা দিতে হবে। তাই অনেক শিক্ষার্থী আবেদন করতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে জানা যায়।

[৭] বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, এটা নিয়ে প্রথমে একটু ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। আগে শিক্ষার্থীরা টাকা পাবে। এর পর ডিভাইস কেনা বাবদ ভাউচার নিজ নিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিতে হবে।

[৮] উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর অথবা অধ্যয়নকালীন চারটি কিস্তিতে বা এককালীন আসল টাকা শিক্ষার্থীরা পরিশোধ করতে পারবেন। তবে ঋণের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত না দেয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নামে কোন ট্রান্সস্ক্রিপ্ট ও সাময়িক বা মূল সনদ ইস্যু করা হবে না। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত